টাইফুন ইয়াগির আঘাত, তার ফলে সৃষ্ট প্রবল বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে ভিয়েতনামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ জনে। এছাড়া এখনও নিখোঁজ আছেন অন্তত ২৪ জন।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরে এশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুনটি শনিবার ঘণ্টায় ২০৩ কিলোমিটার বেগে দেশটির উত্তরাঞ্চলে আছড়ে পড়ে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে হাইফং ও কোয়াং নিন প্রদেশে। ঝড়ে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাস্তাঘাট ভেঙে যাওয়ায় ব্যাহত হয় যান চলাচল।
রবিবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ভিয়েতনাম সরকার জানিয়েছে, ইয়াগির কারণে দেশটির বিভিন্ন অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও টেলিযোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে।
ইয়াগির প্রভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সোমবার বন্যা আরও বাড়তে পারে বলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে।
উত্তরাঞ্চলীয় কোয়াং নিং ও হাইফং অঞ্চলের বেশ কয়েকটি অংশে পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২০৮ থেকে ৪৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে সোমবার দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় আরও বন্যা ও ভূমিধস হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
এক বিবৃতিতে আবহাওয়া সংস্থা বলেছে, “বন্যা ও ভূমিধস পরিবেশের ক্ষতি করছে এবং জনজীবনের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।”
পৃথক এক বুলেটিনে সংস্থাটি বলেছে, উত্তরাঞ্চলের চারটি প্রদেশে বন্যার ঝুঁকি খুব বেশি।
গত সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরের একটি নিম্নচাপ থেকে উদ্ভূত হওয়া টাইফুন ইয়াগি প্রথমে আঘাত হানে ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপে। সেখানে প্রায় ১৩ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়ে সেটি চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ কো টু হয়ে ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলে আছড়ে পড়ে ঝড়টি। ইয়াগিকে গত এক দশকের মধ্যে সব থেকে শক্তিশালী টাইফুন হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: রয়টার্স
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp & IMO 01886833283
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন (আর্তমানবতার সেবায়) বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩