সুমাইয়া বেগম:
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান সুফিকে ঘিরে দখলদারির অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগগুলো সত্য কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক পরিচয় কোনো ব্যক্তিকে জনগণের সম্পদ, সরকারি জায়গা কিংবা অন্যের বৈধ মালিকানাধীন সম্পত্তি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি দিতে পারে না। ফলে ওয়াহিদুজ্জামান সুফির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—কোনো ব্যক্তি যদি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে জমি, বাজার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কিংবা অন্য কোনো সম্পদ দখলের চেষ্টা করে থাকেন, তাহলে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় কি আইনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে? অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং অভিযোগ মিথ্যা হলে অভিযোগের উৎসও প্রকাশ্যে আনা জরুরি।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একজন নেতাকে ঘিরে এমন অভিযোগ ওঠা দলটির ভাবমূর্তির জন্যও অস্বস্তিকর। বিএনপি যদি জনগণের অধিকার, আইনের শাসন ও জবাবদিহির রাজনীতির কথা বলে, তাহলে দলের কোনো নেতার বিরুদ্ধে দখলদারির অভিযোগ উঠলে তারও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
দখলদারি কোনো দলের রাজনীতি হতে পারে না, আর রাজনৈতিক পরিচয়ও আইনের বিকল্প নয়। তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একইসঙ্গে ওয়াহিদুজ্জামান সুফির বক্তব্যও প্রকাশ্যে আসা জরুরি—তিনি অভিযোগগুলো কীভাবে দেখছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দাবির ভিত্তি কতটা সত্য, সেটিও জনগণের জানা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ওয়াহিদুজ্জামান সুফিকে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ সোহেল সরকার
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp +44 7574 879654
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন (আর্তমানবতার সেবায়) বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩