শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবু সায়েম   এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারে মতবিনিময় সভা ও আহ্বায়ক ক‌মি‌টি গঠন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা পরিদর্শনে সিলেট-২ এর সাংসদ তাহসিনা রুশদীর লুনা সরকারের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে : এমপি লুনা তাহিরপুরে ৪২ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা, মোটরসাইকেলসহ ১জন আটক। জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু  ১৪ দফা দাবিতে গাজীপুরে বিএমএসএফের র‍্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে মাইজভান্ডারি গবেষক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খাঁন আজহারীর ইন্তেকাল চরবাড়ুকা, বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন

উল্লাপাড়ার চারটি মাদরাসায় কেউই পাশ করেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২২৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ১২ মে, ২০২৪

এবারের দাখিল পরীক্ষায় সিরাজগঞ্জের শিক্ষানগরী বলে খ্যাত উল্লাপাড়া উপজেলার চারটি মাদরাসায় একজন ছাত্রও পাস করতে পারেনি।

 

রবিবার (১২ মে) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার বগুড়া দাখিল মাদরাসা, এলংজানী দাখিল মাদরাসা, হাজী আহমেদ আলী দাখিল মাদরাসা ও বড় কোয়ালিবেড় দাখিল মাদরাসায় কোনো পরীক্ষার্থী দাখিল পাস করতে পারেনি।

 

এছাড়া উপজেলার আরও তিনটি মাদরাসা থেকে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী দাখিল পাস করেছে।  

জানা গেছে, বগুড়া দাখিল মাদরাসায় ১৫, এলংজানী মাদরাসায় ১২, হাজী আহমেদ আলী মাদরাসায় ১৪ ও বড় কোয়ালিবেড় মাদরাসা থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। এসব মাদরাসার একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি।  

 

অন্যদিকে, উপজেলার খোন্দকার নুরুন্নাহার দাখিল মাদরাসায় ১০, উধুনিয়া দাখিল মাদরাসায় ১৬ ও হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা দাখিল মাদরাসা থেকে ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এ তিনটি মাদরাসা থেকে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী পাস করেছে। 

 

এ বিষয়ে এলংজানী দাখিল মাদরাসার সুপার শাহাদৎ হোসেন জানান, তার প্রতিষ্ঠানের দাখিল পরীক্ষার্থীরা বছরের বেশিরভাগ দিনই ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল। এদের অভিভাবকদের বার বার বিষয়টি জানলেও তাতে কোনো কাজ হয়নি। এখন সবাই ফেল করে মাদরাসার দুর্নাম করল। শিক্ষকরা এজন্য খুবই লজ্জিত।

 

বগুড়া দাখিল মাদরাসার সুপার আতিকুর রহমান জানান, এখানে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করে। এরা একেবারেই লেখাপড়া করে না। অনেক চেষ্টা করেও এদের ক্লাসে মনোযোগী করা যায়নি।

  

বড় কোয়ালিবেড় দাখিল মাদরাসার সুপার মো. শফিক উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, মাদরাসা একদম প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় এখানকার বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরাই প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকে। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস না করার ফলেই এ অবস্থা। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম শামছুল হক জানান, শতভাগ ফেল করা মাদরাসার সুপারদের কারণ দর্শানো হবে। এছাড়া ফেল করার বিষয়টি খতিয়ে দেখে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

 

উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা  বলেন , ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।##


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর