মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: ব্রিটিশ এমপি বব ব্ল্যাকম্যান রাজশাহীতে ধানের শীষের প্রচারণায় মাঠে যুবদলের ব্যাপক গণসংযোগ রাউজানে সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ঢাকা রিজেন্সিতে আন্তর্জাতিক বিজনেস নেটওয়ার্কিং ডিনার পার্টি ২০২৬ সম্পন্ন ভুরুঙ্গামারীতে মাকসুদা আজিজ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থবৃত্তি ও সনদ প্রদান। শেরপুরে নির্বাচনী পথ সভায় প্রধান অতিথি মাহমুদুল হক রুবেল: ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন! শেরপুরে এএসআই-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে সতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক অচিন্ত কুমার মণ্ডলের সাংবাদিক সম্মেলন। সিরাজগঞ্জ ৫ আসনের বিএনপি প্রার্থীর বেলকুচি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক মতবিনিময়। শেরপুরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ!

শুধু মোটরসাইকেলই না, সব গাড়ির জন্যই শহরে গতি ৩০ কিমি

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১৯০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ১৫ মে, ২০২৪

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্প্রতি মোটরযানের গতিসীমা নির্দেশিকা রোডক্র্যাশ ও প্রতিরোধযোগ্য অকাল মৃত্যু ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে রোড সেফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে মোটরযান গতিসীমা নিয়ে রোড সেফটি কোয়ালিশনের প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়। সড়ক নিরাপত্তা ইস্যুতে কাজ করা ৯টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম রোড সেফটি কোয়ালিশন।

নির্দেশিকার যথাযথ বাস্তবায়ন ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ও সেকেন্ড ডিকেইড অব অ্যাকশন ফর রোড সেফটি অনুযায়ী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা অর্ধেক কমিয়ে আনতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে সংগঠনটি।সংবাদ সম্মেলনে কোয়ালিশনের পক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিশচা) চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব ভূমিকা রাখছে। এরপরও রোডক্র্যাশ বাড়ছে, একইসঙ্গে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। দেশে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো।

পাশাপাশি মোটরসাইকেলের অনিয়ন্ত্রিত গতি প্রতিনিয়ত দেশের কর্মক্ষম তরুণসহ অনেকের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। এ অবস্থায় রোড সেফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্য দেশগুলো থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সড়কে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারি নির্দেশনার দাবি করে আসছিল।

তিনি বলেন, কোয়ালিশন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে এই নির্দেশিকাটি বাস্তবায়ন করা গেলে পরিবেশের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ কমে আসবে, প্রতিরোধযোগ্য রোডক্র্যাশ ও সড়কে অকাল মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। ব্যক্তি ও সরকারের চিকিৎসা ব্যয় হ্রাস পাবে, তথা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে। টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য যে এই নির্দেশিকার বাস্তবায়ন সড়কে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ঝুঁকিপূর্ণ পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

সরকার মোটরযানের যে গতি নির্ধারণ করেছে, তাতে শহরে গতিসীমা ৩০ কিলোমিটার শুধু মোটরসাইকেলের জন্য না, সব গাড়ির জন্যই প্রযোজ্য।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব সড়কের গতিসীমা ৩০ করা হয়েছে, সেসব সড়কে গাড়ির গতিসীমা ৬০ কিলোমিটার করা হয়নি। জাতিসংঘের নির্দেশনা অনুযায়ী শহরে ৩০ কিলোমিটারের বেশি সরকার চাইলেও পারবে না। সেখানে ৩০ কিলোমিটার করা হলো, এটি সব গাড়ির জন্য, শুধু মোটরসাইকেলের জন্য না। মোটরসাইকেলের চালকেরা ভুল বুঝছেন, ব্যাখ্যাটা না জেনে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ৭ মে মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা ২০২৪ জারি করে। তাতে সড়ক ও মোটরযানের শ্রেণিভেদে গতিসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

তাতে বলা হয়েছে, অবিভক্ত ও দুই লেনবিশিষ্ট শহর ও প্রাইমারি আরবান সড়কে মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার। একই শ্রেণির সড়কে মোটরকার, জিপ, মাইক্রোবাসের জন্য গতি ৪০ কিলোমিটার। তবে বাস, মিনিবাস, ট্রাক, মিনিট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের জন্য এ ধরনের সড়কে কোনো গতিসীমা নেই।

রোড সেফটি কোয়ালিশন কিছু সুপারিশও তুলে ধরেছে, কীভাবে বিভিন্ন গতির মোটরযানগুলো ওভারটেক করবে, লেন পরিবর্তন করবে। নির্দেশ বাস্তবায়ন নিশ্চিতে প্রতি মাসে একটি সমন্বয় সভার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ও কারণ বিশ্লেষণ করে তথ্য প্রদান করার সুপারিশ করে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে কোয়ালিশনের সদস্য ব্র্যাক, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিআইপিআরবি, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, অর্থোপেডিক সোসাইটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বিএনএনআরসি ও গণস্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর