মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বাকেরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের খাবারে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বদলগাছীতে খাস খাজনা আদায়ে ব্যাপক অনিয়ম, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। বালিয়াডাঙ্গীতে ২ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার তাড়াশে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রুবেল গ্রেপ্তার সৌদিআরব রিয়াদে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ইংরেজি শাখার ২০২৬ইং ব‍্যাচ এর সমাবর্তন অনুষ্ঠান। মহাদেবপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে এসএসএস এর সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি গাছের চারা বিতরণ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত লন্ডনের নর্থহ্যাম্পটনের মেয়র কর্তৃক ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ কমিউনিটি লিডারশিপ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিতন নানিয়ারচর সেনা জোনের উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত উত্তরার বিডিআর মার্কেটের পার্কিং স্থান নিয়ে বিরোধ: পুরো মার্কেটকে ঘিরে আদালতে তিন মামলা, উত্তেজনা বৃদ্ধি সিংগাইরে ছাত্তার ফাউন্ডেশনের ১৫ লাখ টাকার অনুদান পেল ১৫ অসহায় পরিবার

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন শেষ পর্যায়ে: সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২২২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ২ জুন, ২০২৪

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন শেষ পর্যায়ে। দু-এক মাসের মধ্যেই মধ্যেই চার্জশিট দিয়ে দিব।

রবিবার (২ জুন) রাজধানীর মালিবাগ সিআইডি হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত অবৈধ অর্থ স্থানান্তর এবং অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কিত গবেষণা ফলাফলের প্রচার ও দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, আমরা মাদক নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছি। ইতোপূর্বে মাদকের ইউজার (ব্যবহারকারী) এবং খুচরা বিক্রেতাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতাম। আমরা স্পেশাল ডাইমেনশন আকারে গডফাদারদের নিয়ে আসছি এবং মাদক গডফাদারদের যত অর্থ-সম্পদ আছে সেগুলো আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। কোনটা ফ্রিজ করেছি আবার কোনটা সিজ করেছি।

তিনি বলেন, আমাদের একটা মানব পাচার সেল আছে। সেলটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে এবং আমাদের একটি ব্রাঞ্চ আছে এয়ারপোর্টে। যারা বিভিন্নভাবে প্রতারণার শিকার হয়ে বিদেশ থেকে রিফ্রেক্টেড হয় রিপোর্ট করার সাথে সাথে আমরা তাদের সমস্ত ডাটা সংগ্রহ করি। মামলা হলে আমরা কিন্তু আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

কোন ভিকটিম ব্যক্তি যদি মামলার রজু করে তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

তিনি আরও বলেন, গত পরশুদিন মালয়েশিয়া শ্রমিক যাওয়ার বিষয়ে এয়ারপোর্টে আমরা যেটা দেখেছি সেটার বিষয়ে যদি কোন সংক্ষুব্ধ কেউ মামলা করে তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমরা শুধু পাচার মামলা নয় এর পাশাপাশি যেটা আছে অবৈধভাবে শ্রমিক পাঠানো বা অবৈধভাবে অর্থ আয় করে হস্তান্তর করেছে সেগুলো আমরা মানি লন্ডারিং মামলার আওতায় নিয়ে আসব।

গত এক বছরে কি পরিমাণ মানি লন্ডারিং হয়েছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এবিষয়ে এক্সাক্টলি আমাদের কাছে ওইভাবে তথ্য নেই। এটাতো বাংলাদেশ ব্যাংক মনিটরিং করে। আমরা বলতে পারব মানি লন্ডারিং রিলেটেড যেসব মামলা হয়েছে সেগুলোর ডাটা আমাদের কাছে আছে। অনেক মামলা হয়েছে আমরা অনেক রিকভারিও করেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর