রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত;

সুপ্রিম কোর্টে ব্যারিস্টার আশরাফুলকে আরেক আইনজীবীর ছুরিকাঘাত

অনলাইন ডেস্ক: / ২২০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে এক আইনজীবীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন অপর এক আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আইনজীবী সমিতি ভবনের (অ্যনেক্স ভবন) ২০০৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জন্য আইনজীবী মো. কাইয়ুমকে দায়ী করেছেন আহত ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম।
এদিকে, হামলার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলার পর আহত আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলামের মাথার বাম পাশ দিয়ে রক্ত ঝরছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি সোচ্ছার ছিলাম, যখন কেউ কথা বলেনি। গাজী কামরুল ইসলাম সজলের জুনিয়র কাইয়ুম এসে ছুরি দিয়ে মেরে গেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আইনজীবী মো. কাইয়ুম বলেন, ৮–১০ দিন আগে ব্যারিস্টার আশরাফ আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছিল। আমি মামুন মাহবুবের কাছে নালিশ দিতে গিয়েছিলাম। সেখানে আশরাফসহ ৪–৫ জন দরজা বন্ধ করে আমাকে মারধর করে। খবর পেয়ে কামরুল ইসলাম সজল আমাকে উদ্ধার করে।

এদিকে, প্রতক্ষ্যদর্শী আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, দুপুর ১টার পর কাইয়ুমসহ ৪ জন আমার কক্ষে এসে ব্যারিস্টার আশরাফকে খুঁজতে থাকে। আমি বলি সে ওয়াশরুমে, বস আসতেছে। অল্প সময় পর আশরাফ রুমে আসে। আসার পর তার সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে কাইয়ুম সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে আশরাফকে কয়েকটি আঘাত করে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিষয়টি আমরা প্রধান বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানিয়েছি। আমরা দুর্নীতিবাজ বিচারপতিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম। সেটি যাতে না করি এজন্যই এ হামলা বলে দাবি করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর