বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের বিজয় অপরিহার্য: গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ- রাউজানে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়াস কাদের চৌধুরী যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: ব্রিটিশ এমপি বব ব্ল্যাকম্যান রাজশাহীতে ধানের শীষের প্রচারণায় মাঠে যুবদলের ব্যাপক গণসংযোগ রাউজানে সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ঢাকা রিজেন্সিতে আন্তর্জাতিক বিজনেস নেটওয়ার্কিং ডিনার পার্টি ২০২৬ সম্পন্ন ভুরুঙ্গামারীতে মাকসুদা আজিজ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থবৃত্তি ও সনদ প্রদান। শেরপুরে নির্বাচনী পথ সভায় প্রধান অতিথি মাহমুদুল হক রুবেল: ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন! শেরপুরে এএসআই-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে সতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক অচিন্ত কুমার মণ্ডলের সাংবাদিক সম্মেলন।

আজ ৪ অক্টোবর থেকে  মা ইলিশ সংরক্ষণ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু 

রনি মল্লিক স্টাফ রিপোর্টার  / ৫৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

রনি মল্লিক স্টাফ রিপোর্টার 

সারা দেশের মতোই বরগুনা আমতলী, তালতলী ও পাথরঘাটায়ও আজ ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা, বেচাকেনা, পরিবহন ও মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

 মা ইলিশ সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পর্যাপ্ত ইলিশ নিশ্চিত করতে এই সময়ে জেলেদের কঠোরভাবে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, এ সময়ে কোনো জেলে, ব্যবসায়ী বা পরিবহনকারী আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশকে রক্ষাই এই নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য। জাতীয় মাছ ইলিশ দেশের অর্থনীতি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখা হলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জেলেরা আরও বেশি ইলিশ আহরণ করতে পারবেন।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রোকনুজ্জামান খান বলেন, আইন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, পুলিশ ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এই প্রচারণায় যুক্ত করা হবে। নদী ও হাটবাজারে নিয়মিত টহল চালানো হবে এবং কোনোভাবেই যাতে আইন ভঙ্গ না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকবে।এ সময় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকারিভাবে সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমও চলবে, যাতে সবাই বুঝতে পারে—মা ইলিশ রক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ মৎস্য ভাণ্ডার তৈরি করা সম্ভব।

সার্বিকভাবে, আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে—নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে সকলের সহযোগিতা জরুরি, যাতে ইলিশের স্থায়িত্ব ও দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর