শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবু সায়েম   এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারে মতবিনিময় সভা ও আহ্বায়ক ক‌মি‌টি গঠন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা পরিদর্শনে সিলেট-২ এর সাংসদ তাহসিনা রুশদীর লুনা সরকারের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে : এমপি লুনা তাহিরপুরে ৪২ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা, মোটরসাইকেলসহ ১জন আটক। জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু  ১৪ দফা দাবিতে গাজীপুরে বিএমএসএফের র‍্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে মাইজভান্ডারি গবেষক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খাঁন আজহারীর ইন্তেকাল চরবাড়ুকা, বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন

লাঠিতে ভর করে পুত্রবধূর সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে এলেন ৯০ বছরের বৃদ্ধা মনি

নাটোর প্রতিনিধি: / ১৮২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ৮ মে, ২০২৪


বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছে, আগের মতো তেমন আর চলাফেরাও করতে পারেন না। তবুও লাঠিতে ভর করে পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছেন ৯০ বছর বয়সি বৃদ্ধা মনি বেওয়া।

বুধবার(৮ মে) সকাল ৯টার দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার ৫ নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের ৪১ নং কাজীপুর দিয়ার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন এ বৃদ্ধা।

বৃদ্ধা মনি বেওয়া(৯০) নলডাঙ্গা উপজেলার ৫ নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী দিয়ারপাড়া গ্রামের মৃত মহির উদ্দিন তালুকদারের স্ত্রী। তার পরিবারে দুই মেয়ে ও দুই ছেলেসহ নাতি-নাতনি রয়েছে।

৪০ বছর আগে স্বামী মহির উদ্দিন তালুকদার মারা যান। এরপর থেকে বৃদ্ধা মনি বেওয়া তার বড় ছেলের পরিবারের সঙ্গে থাকেন। জীবনে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে কতবার ভোট দিয়েছেন, তা বয়সের ভারে মনে নেই তার। আর এভাবে কতবারই বা ভোট দিতে পারবেন তা বলতে পারেননি ৯০ বছরের এ বৃদ্ধা।

ছেলের বৌ মোছা. ছেলেনা বেগম
বলেন, আমার শাশুড়ির বর্তমান বয়স আনুমানিক ৯০ বছর হবে। দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের সঙ্গে রয়েছেন তিনি। আগে একা চলাফেরা করতে পারতেন, এখন বয়সের ভারে চলতে পারে না। অন্যের সাহায়্যে চলাফেরা করেন। আমি সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছি। তিনি নিজে তার ভোট দিয়েছেন। ভোট দিতে পেরে তিনি খুশি বলে জানিয়েছেন।

লাঠিতে ভর দিয়ে চলতে চলতে বৃদ্ধা মনি বেওয়া বলেন, ‘অনেক দিনপর ভোট দিতে আইলাম। ভোট দিয়ে অনেক ভালো লাগছে’। একা একা হাঁটতে পারি না, তাই বৌ মার সঙ্গে আইছি বাবা। এখন বাড়ি গিয়ে সুয়ে থাকুম। শরীরটা বেশি ভালা না বাবা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জীবনে অনেক বার ভোট দিছি তা মনে নাই। সামনে ভোট দিতে পারমু কি না জানি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর