শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে ‘রক্ত দিন, জীবন বাঁচান’ প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত সিংড়ায় রফিকুলকে ঘিরে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, প্রকাশ্যে দুই পক্ষের বক্তব্য নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ডিসি-এসপির কাছে মানবাধিকারকর্মী আরমানের স্মারকলিপি ফাহিম চৌধুরী সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়ায় মোবারক হোসেন মিন্টুর নেতৃত্বে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন স্মৃতির ধুলো সিংড়ায় রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলাবাজির অভিযোগ, হয়রানির দাবি স্থানীয়দের বাকেরগঞ্জে এআই প্রযুক্তিতে ভিডিও তৈরি করে অপপ্রচারের অভিযোগ রাউজানে এয়াছিন নগরে চিশতিয়া মঞ্জিলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নাবী (দঃ) উৎযাপিত রাজশাহীর মোহনপুরে র‍্যাবের অভিযানে ৪৫ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, পালাল তিনজন শ্রীবরদীতে হেরোইন সেবন ও বিক্রির অপরাধে তিনজনের কারাদণ্ড

লাঠিতে ভর করে পুত্রবধূর সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে এলেন ৯০ বছরের বৃদ্ধা মনি

নাটোর প্রতিনিধি: / ২১৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ৮ মে, ২০২৪


বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছে, আগের মতো তেমন আর চলাফেরাও করতে পারেন না। তবুও লাঠিতে ভর করে পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছেন ৯০ বছর বয়সি বৃদ্ধা মনি বেওয়া।

বুধবার(৮ মে) সকাল ৯টার দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার ৫ নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের ৪১ নং কাজীপুর দিয়ার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন এ বৃদ্ধা।

বৃদ্ধা মনি বেওয়া(৯০) নলডাঙ্গা উপজেলার ৫ নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী দিয়ারপাড়া গ্রামের মৃত মহির উদ্দিন তালুকদারের স্ত্রী। তার পরিবারে দুই মেয়ে ও দুই ছেলেসহ নাতি-নাতনি রয়েছে।

৪০ বছর আগে স্বামী মহির উদ্দিন তালুকদার মারা যান। এরপর থেকে বৃদ্ধা মনি বেওয়া তার বড় ছেলের পরিবারের সঙ্গে থাকেন। জীবনে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে কতবার ভোট দিয়েছেন, তা বয়সের ভারে মনে নেই তার। আর এভাবে কতবারই বা ভোট দিতে পারবেন তা বলতে পারেননি ৯০ বছরের এ বৃদ্ধা।

ছেলের বৌ মোছা. ছেলেনা বেগম
বলেন, আমার শাশুড়ির বর্তমান বয়স আনুমানিক ৯০ বছর হবে। দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের সঙ্গে রয়েছেন তিনি। আগে একা চলাফেরা করতে পারতেন, এখন বয়সের ভারে চলতে পারে না। অন্যের সাহায়্যে চলাফেরা করেন। আমি সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছি। তিনি নিজে তার ভোট দিয়েছেন। ভোট দিতে পেরে তিনি খুশি বলে জানিয়েছেন।

লাঠিতে ভর দিয়ে চলতে চলতে বৃদ্ধা মনি বেওয়া বলেন, ‘অনেক দিনপর ভোট দিতে আইলাম। ভোট দিয়ে অনেক ভালো লাগছে’। একা একা হাঁটতে পারি না, তাই বৌ মার সঙ্গে আইছি বাবা। এখন বাড়ি গিয়ে সুয়ে থাকুম। শরীরটা বেশি ভালা না বাবা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জীবনে অনেক বার ভোট দিছি তা মনে নাই। সামনে ভোট দিতে পারমু কি না জানি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর