সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বগুড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা: ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল

সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রশংসাপত্র নিতে লাগে ১৫০ টাকা!

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২৫০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪

সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রশংসাপত্র তৈরির সকল খরচ সরকারি ভাবে বহন করা হয়। তবে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আফসার আলী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ১৫০ টাকা করে আদায় করছেন। ২৩৬ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩৫ হাজার ৪শ টাকা আদায় করা হয়েছে।

একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হতে প্রতিষ্ঠানের প্রশংসাপত্র প্রয়োজন হয়। সে লক্ষ্যেই প্রশংসাপত্র নেয়ার জন্য স্কুলে গিয়েছিল তারা। কিন্তু হিসাব রক্ষক রঞ্জু তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে আদায় করেছে। এঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে হিসাব রক্ষক মো: রঞ্জু মিয়া বলেন, আমি জনপ্রতি ছাত্রীর কাছ থেকে ১৫০ টাকা করে নিচ্ছি প্রশংসাপত্র বাবদ। আমাদের প্রধান শিক্ষক মো: আফসার স্যার এই ১৫০ টাকা করে নিতে বলেছে বলে আমি নিচ্ছি এখানে আমার কিছু করার নেই। আপনি স্যারের সাথে কথা বলেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. আফসার আলী টাকা নেওয়ার বিষয়টি শিকার করে বলেন, প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলে অনেক খরচ হয়। যখন আপনারা বলছেন আমি টাকা তোলা বন্ধ করে দিচ্ছি। এবং সকল শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরৎ দেওয়া হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি, উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা রোজিনা আক্তার জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর