বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
রাউজানের হলদিয়ার সর্তার কুল মৌং রমজান আলী জামে মসজিদে ঈদে মিলাদুন্নবী দঃ ও মাসিক গেয়ারভী শরীফ মাহফিল অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বিএনপির নেতার সংবাদ সম্মেলন   রাউজান প্রেসক্লাবে সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত এসএসএস গাজীপুর জোনের বাসন এরিয়ায় সততা ও সঠিক তথ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে ফিল্ড অফিসারদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত ব্যর্থতাকে সাফল্যের সিঁড়ি বানিয়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কর্মকর্তা শ্রীবরদীর তাওহীদুল ইসলাম ব্যর্থতাকে সাফল্যের সিঁড়ি বানিয়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কর্মকর্তা শ্রীবরদীর তাওহীদুল ইসলাম চুয়েট-কুয়েটে সুযোগ পেয়েও বেছে নেন ভেটেরিনারি পেশা, ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে ৪৪তম বিসিএস ভেটেরিনারি সার্জন বাকেরগঞ্জে চাঁদার দাবিতে হামলা আহত (৩) জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে ঝিনাইগাতীতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ ঝিনাইগাতীতে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে জাসাসের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রশংসাপত্র নিতে লাগে ১৫০ টাকা!

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৩০০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪

সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রশংসাপত্র তৈরির সকল খরচ সরকারি ভাবে বহন করা হয়। তবে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আফসার আলী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ১৫০ টাকা করে আদায় করছেন। ২৩৬ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩৫ হাজার ৪শ টাকা আদায় করা হয়েছে।

একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হতে প্রতিষ্ঠানের প্রশংসাপত্র প্রয়োজন হয়। সে লক্ষ্যেই প্রশংসাপত্র নেয়ার জন্য স্কুলে গিয়েছিল তারা। কিন্তু হিসাব রক্ষক রঞ্জু তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে আদায় করেছে। এঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে হিসাব রক্ষক মো: রঞ্জু মিয়া বলেন, আমি জনপ্রতি ছাত্রীর কাছ থেকে ১৫০ টাকা করে নিচ্ছি প্রশংসাপত্র বাবদ। আমাদের প্রধান শিক্ষক মো: আফসার স্যার এই ১৫০ টাকা করে নিতে বলেছে বলে আমি নিচ্ছি এখানে আমার কিছু করার নেই। আপনি স্যারের সাথে কথা বলেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. আফসার আলী টাকা নেওয়ার বিষয়টি শিকার করে বলেন, প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলে অনেক খরচ হয়। যখন আপনারা বলছেন আমি টাকা তোলা বন্ধ করে দিচ্ছি। এবং সকল শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরৎ দেওয়া হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি, উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা রোজিনা আক্তার জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর