বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ইসরা ও মেরাজের স্মৃতিতে ইবাদতে মুখর মুসলিম বিশ্ব ‎সুনামগঞ্জ শহরে  অজ্ঞাত ব্যাক্তির গলিত দু*র্গন্ধ  মরাদেহ নিজ হাতে উদ্ধার করলেন ওসি রতন সেখ (পিপিএম) জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর বটিয়াঘাটায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, ‎সুনামগঞ্জ পৌর শহরের কালিপুর গ্রামে পুলিশের অভিযানে ১৮ বোতল ভারতীয় মদসহ- ১জন গ্রেফতার বাঁশখালীতে সেনাবাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পলাতক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাঁশখালীতে কঠোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা দিনাজপুর-৪ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আক্তারুজ্জামান মিয়া ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের বিজয় অপরিহার্য: গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ- রাউজানে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়াস কাদের চৌধুরী যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: ব্রিটিশ এমপি বব ব্ল্যাকম্যান

তাড়াশে চালের কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন চেয়ারম্যানের শ্বশুড়

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ / ১৫৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪


সিরাজগঞ্জের তাড়াশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্র, গরীব অসহায় পরিবারকে ৩০ কেজি করে সাশ্রয়ী মূল্যে চালের কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর শ্বশুর মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এর প্রতিকার চেয়ে মঙ্গলবার (৪ জুন) বিকালে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ইউনিয়নের ধাপতেতুলিয়া গ্রামের ভুক্তোভোগী ১৫ টি পরিবার।

বুধবার (৫ জুন) দুপুরে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুইচিং মং মারমা।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্র, গরীব অসহায় পরিবারকে ৩০ কেজি করে সাশ্রয়ী মূল্যে চালের কার্ড করে দেওয়ার নামে ধাপতেতুলিয়া গ্রামের ১৫টি পরিবারের কাছে থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর শ্বশুর মো. শহিদুল ইসলাম। পরে ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণের সময় গেলে তিনি জানান এবার তোমাদের নাম আসেনি। এরপর তোমাদের নাম আসলে তোমরা চাল কিনতে পারবে। এভাবে মিথ্যা আশ্বাস দিতে থাকেন শহিদুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে কার্ড না পাওয়া তার কাছে গেলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন ভাবে ওই ১৫টি পরিবারকে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন।

ভুক্তভোগী জাহিদুল, মোখলেছ, জাহাঙ্গীর বলেন, দেড় বছর ধরে কার্ড না হওয়ায় টাকা ফিরত চাওয়ায় আমাদের নামে দেওয়া হয়েছে চাঁদাবাজী মামলা।

অপর দিকে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো. চাঁদ আলী বলেন, এ ওয়ার্ডে সরকারী সকল বরাদ্দ চেয়ারম্যান তার শ্বশুর শহিদুলের মাধ্যমে বিতরণ করে থাকেন।

এ বিষয়ে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর শ্বশুর মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি কিছু লোকজনের টাকা নিয়েছিলাম। কার্ড না হওয়ায় আমি সে টাকা ফিরত দিয়েছি।

তবে বিষয়টি জানার পরে শ্বশুরকে টাকা ফিরত দিতে বলেছেন বলে জানান, সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্ট। তিনি আরো বলেন, যাদের নামে কার্ড হয়নি তাদের আগামীতে কার্ড করে দিবো।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুইচিং মং মারমা বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর