শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবু সায়েম   এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারে মতবিনিময় সভা ও আহ্বায়ক ক‌মি‌টি গঠন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা পরিদর্শনে সিলেট-২ এর সাংসদ তাহসিনা রুশদীর লুনা সরকারের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে : এমপি লুনা তাহিরপুরে ৪২ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা, মোটরসাইকেলসহ ১জন আটক। জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু  ১৪ দফা দাবিতে গাজীপুরে বিএমএসএফের র‍্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে মাইজভান্ডারি গবেষক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খাঁন আজহারীর ইন্তেকাল চরবাড়ুকা, বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন

তাড়াশে চালের কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন চেয়ারম্যানের শ্বশুড়

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ / ১৮৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪


সিরাজগঞ্জের তাড়াশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্র, গরীব অসহায় পরিবারকে ৩০ কেজি করে সাশ্রয়ী মূল্যে চালের কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর শ্বশুর মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এর প্রতিকার চেয়ে মঙ্গলবার (৪ জুন) বিকালে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ইউনিয়নের ধাপতেতুলিয়া গ্রামের ভুক্তোভোগী ১৫ টি পরিবার।

বুধবার (৫ জুন) দুপুরে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুইচিং মং মারমা।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্র, গরীব অসহায় পরিবারকে ৩০ কেজি করে সাশ্রয়ী মূল্যে চালের কার্ড করে দেওয়ার নামে ধাপতেতুলিয়া গ্রামের ১৫টি পরিবারের কাছে থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর শ্বশুর মো. শহিদুল ইসলাম। পরে ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণের সময় গেলে তিনি জানান এবার তোমাদের নাম আসেনি। এরপর তোমাদের নাম আসলে তোমরা চাল কিনতে পারবে। এভাবে মিথ্যা আশ্বাস দিতে থাকেন শহিদুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে কার্ড না পাওয়া তার কাছে গেলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন ভাবে ওই ১৫টি পরিবারকে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন।

ভুক্তভোগী জাহিদুল, মোখলেছ, জাহাঙ্গীর বলেন, দেড় বছর ধরে কার্ড না হওয়ায় টাকা ফিরত চাওয়ায় আমাদের নামে দেওয়া হয়েছে চাঁদাবাজী মামলা।

অপর দিকে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো. চাঁদ আলী বলেন, এ ওয়ার্ডে সরকারী সকল বরাদ্দ চেয়ারম্যান তার শ্বশুর শহিদুলের মাধ্যমে বিতরণ করে থাকেন।

এ বিষয়ে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর শ্বশুর মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি কিছু লোকজনের টাকা নিয়েছিলাম। কার্ড না হওয়ায় আমি সে টাকা ফিরত দিয়েছি।

তবে বিষয়টি জানার পরে শ্বশুরকে টাকা ফিরত দিতে বলেছেন বলে জানান, সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্ট। তিনি আরো বলেন, যাদের নামে কার্ড হয়নি তাদের আগামীতে কার্ড করে দিবো।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুইচিং মং মারমা বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর