বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: ব্রিটিশ এমপি বব ব্ল্যাকম্যান রাজশাহীতে ধানের শীষের প্রচারণায় মাঠে যুবদলের ব্যাপক গণসংযোগ রাউজানে সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ঢাকা রিজেন্সিতে আন্তর্জাতিক বিজনেস নেটওয়ার্কিং ডিনার পার্টি ২০২৬ সম্পন্ন ভুরুঙ্গামারীতে মাকসুদা আজিজ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থবৃত্তি ও সনদ প্রদান। শেরপুরে নির্বাচনী পথ সভায় প্রধান অতিথি মাহমুদুল হক রুবেল: ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন! শেরপুরে এএসআই-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে সতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক অচিন্ত কুমার মণ্ডলের সাংবাদিক সম্মেলন। সিরাজগঞ্জ ৫ আসনের বিএনপি প্রার্থীর বেলকুচি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক মতবিনিময়। শেরপুরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ!

অনাদায়ী ঋণ ৬৫ হাজার কোটি টাকা

রিপোর্টারের নাম / ১৬৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ১২ জুন, ২০২৪

সরকারি ৩০ প্রতিষ্ঠানের কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ৬৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ১৮৩ কোটি টাকা আবার খেলাপি হয়ে গেছে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্র মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঞ্জীভূত বকেয়া ঋণের তথ্য সংগ্রহ করে অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪-এ এই হিসাব তুলে ধরেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হলেও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো এখনো ধারদেনা করেই চলছে। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ার কারণে বছর বছর বকেয়া বাড়ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। দেখা যাচ্ছে, গত এক বছরে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৩০ সংস্থার অনাদায়ী ঋণ বেড়েছে ৫ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এসব ঋণ নেওয়া হয়েছে সরকার মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নিজের নাম প্রকাশ না করে কে জানান, রাষ্ট্র মালিকানাধীন সংস্থাগুলোকে সরকারের পরামর্শেই ঋণ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ ঋণ বকেয়া পড়ে থাকায় রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া ওই অর্থ বিনিয়োগের বাইরে থেকে যাচ্ছে। এসব ঋণের বিপরীতে সময় সময় সরকারের পক্ষ থেকে কাগুজে বন্ড ছাড়া হলেও এর সুদের হার বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের পরিচালন ব্যয়ের চেয়ে কম। ফলে ব্যাংকগুলোর লোকসানের কারণ হয়েও দাঁড়িয়েছে এই অনাদায়ী ঋণ।
অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঋণগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), যার কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ১৭ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছর প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা। দ্বিতীয় শীর্ষ ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি), যার কাছে ব্যাংকগুলোর পাওনা ৯ হাজার ৮৬৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির কাছে অনাদায়ী ঋণ ছিল ৮ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা। তৃতীয় শীর্ষ ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি), যার কাছে ব্যাংকগুলোর অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া ঋণ ছিল ৭ হাজার ৮০৭ কোটি টাকা। এরপর যথাক্রমে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ৮ হাজার ২৬ কোটি টাকা, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ৭ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন করপোরেশন (বিপিডিবি) ৬ হাজার ৭০২ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিসি) কাছে ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ৪ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা। বাকি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিজেএমসি, বিএসইসি, বিওজিএমসি, বিআইডাব্লিওটিসি, বিপিএ, বিডব্লিউডিবি, আরইবির অনাদায়ী ব্যাংকঋণের পরিমাণ হাজার কোটি টাকার নিচে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাধীনতার পর থেকেই অনেক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ভর্তুকি ও ব্যাংক ঋণে চলছে। এদের মধ্যে বিপিডিবি, টিসিবির মতো কিছু প্রতিষ্ঠান সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে বলে তাদের ভর্তুকি ও ঋণ সহায়তা দরকার। তবে বিজেএমসির মতো কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের বছরের পর বছর ঋণসহায়তা দিলেও তা পরিশোধের সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। ব্যবস্থাপনাগত অদক্ষতা, ট্রেড ইউনিয়নের হস্তক্ষেপ, স্বজনপ্রীতি করে অধিক জনবল নিয়োগ, মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে ব্যর্থতাসহ নানা কারণে এসব প্রতিষ্ঠান বছরে পর বছর ধরে লোকসানী রয়ে গেছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রাক্তন বিকল্প নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো নিয়ে সমস্যা শুধু বাংলাদেশে নয়, অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশেও দেখা যাচ্ছে। এসব সংস্থা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কারও কারও পরামর্শ আছে। তবে ঢালাওভাবে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া বা বন্ধ করে দেওয়া উচিত হবে না। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে পৃথক পৃথক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সুগার মিল বা বিজেএমসির মতো কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যেগুলো আর কখনোই লাভজনক করা সম্ভব হবে না। এসব প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। আবার বিসিআইসি, টিসিবি, বিপিসির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

সরকারি ৩০ প্রতিষ্ঠানের কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ৬৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ১৮৩ কোটি টাকা আবার খেলাপি হয়ে গেছে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্র মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঞ্জীভূত বকেয়া ঋণের তথ্য সংগ্রহ করে অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪-এ এই হিসাব তুলে ধরেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হলেও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো এখনো ধারদেনা করেই চলছে। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ার কারণে বছর বছর বকেয়া বাড়ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। দেখা যাচ্ছে, গত এক বছরে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৩০ সংস্থার অনাদায়ী ঋণ বেড়েছে ৫ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এসব ঋণ নেওয়া হয়েছে সরকার মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নিজের নাম প্রকাশ না করে জানান, রাষ্ট্র মালিকানাধীন সংস্থাগুলোকে সরকারের পরামর্শেই ঋণ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ ঋণ বকেয়া পড়ে থাকায় রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া ওই অর্থ বিনিয়োগের বাইরে থেকে যাচ্ছে। এসব ঋণের বিপরীতে সময় সময় সরকারের পক্ষ থেকে কাগুজে বন্ড ছাড়া হলেও এর সুদের হার বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের পরিচালন ব্যয়ের চেয়ে কম। ফলে ব্যাংকগুলোর লোকসানের কারণ হয়েও দাঁড়িয়েছে এই অনাদায়ী ঋণ।
অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঋণগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), যার কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ১৭ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছর প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা। দ্বিতীয় শীর্ষ ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি), যার কাছে ব্যাংকগুলোর পাওনা ৯ হাজার ৮৬৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির কাছে অনাদায়ী ঋণ ছিল ৮ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা। তৃতীয় শীর্ষ ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি), যার কাছে ব্যাংকগুলোর অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া ঋণ ছিল ৭ হাজার ৮০৭ কোটি টাকা। এরপর যথাক্রমে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ৮ হাজার ২৬ কোটি টাকা, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ৭ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন করপোরেশন (বিপিডিবি) ৬ হাজার ৭০২ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিসি) কাছে ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ৪ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা। বাকি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিজেএমসি, বিএসইসি, বিওজিএমসি, বিআইডাব্লিওটিসি, বিপিএ, বিডব্লিউডিবি, আরইবির অনাদায়ী ব্যাংকঋণের পরিমাণ হাজার কোটি টাকার নিচে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাধীনতার পর থেকেই অনেক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ভর্তুকি ও ব্যাংক ঋণে চলছে। এদের মধ্যে বিপিডিবি, টিসিবির মতো কিছু প্রতিষ্ঠান সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে বলে তাদের ভর্তুকি ও ঋণ সহায়তা দরকার। তবে বিজেএমসির মতো কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের বছরের পর বছর ঋণসহায়তা দিলেও তা পরিশোধের সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। ব্যবস্থাপনাগত অদক্ষতা, ট্রেড ইউনিয়নের হস্তক্ষেপ, স্বজনপ্রীতি করে অধিক জনবল নিয়োগ, মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে ব্যর্থতাসহ নানা কারণে এসব প্রতিষ্ঠান বছরে পর বছর ধরে লোকসানী রয়ে গেছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রাক্তন বিকল্প নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো নিয়ে সমস্যা শুধু বাংলাদেশে নয়, অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশেও দেখা যাচ্ছে। এসব সংস্থা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কারও কারও পরামর্শ আছে। তবে ঢালাওভাবে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া বা বন্ধ করে দেওয়া উচিত হবে না। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে পৃথক পৃথক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সুগার মিল বা বিজেএমসির মতো কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যেগুলো আর কখনোই লাভজনক করা সম্ভব হবে না। এসব প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। আবার বিসিআইসি, টিসিবি, বিপিসির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর