সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বগুড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা: ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল

বিচার কোথায়?

রিপোর্টারের নাম / ৬৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

লেখক:- মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার,সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (বি.সি.পি.সি), কেন্দ্রীয় কমিটি।

(সাগর-রুনি ও নির্যাতিত সাংবাদিকদের স্মরণে)

সাগর-রুনির রক্ত আজও এই মাটিতে চিৎকার করে,
ভোরের সূর্য জানে—দেয়ালে লেখা অক্ষর জ্বলে।
তবু রাষ্ট্রের চোখে কেন এত অন্ধকার?
কেন নীরবতা শাসায় অন্যায়ের দীর্ঘ সংসার?

১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২—
সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি—
স্বামী-স্ত্রী, দুই সাহসী সাংবাদিক—
খুন হলেন রাতে, পেশাদার ঘাতকের নির্ভুল আঘাতে।
এক যুগ পেরিয়ে গেছে—১৩ বছর!
তদন্ত আজও দাঁড়িয়ে আছে পথের ধারে।

১১৯ বার পিছিয়েছে শুনানির তারিখ—
কোনো নির্দয় ক্যালেন্ডারের পাতায় পাতায়।

আমরা বলি—এটা কি ন্যায়ের দেশ?
যেখানে খুনের বিচার শুধু পিছিয়ে চলে?
যেখানে সাংবাদিক মরলেই রাষ্ট্র নির্বাক হয়,
আর আদালত ব্যস্ত থাকে কেবল
“পুনরায় দিন ধার্য” লিখতে লিখতে?

আমরা কি এসেছি কেবল কফিনে নাম লেখাতে?
না কি এসেছি সত্য বলতে গিয়ে প্রতিদিন মরতে?
আমরা সাংবাদিক—কলম আমাদের অস্ত্র।
তবু কেন নোংরা চক্রান্তে,
আমাদের কণ্ঠ চেপে ধরে শাসনের মুষ্টি?

প্রশ্ন জাগে— এই রাষ্ট্র কি রুনিদের অশ্রু ভুলে গেছে?
এই মাটির বিবেক কি মৃত বিবেচনায় পাথর হয়ে গেছে?

না! আমরা চুপ থাকব না।

আমরা চাই—একদিন সেই আদালত কাঁপুক,
যেদিন রাজার মুকুট খসে পড়বে, যেদিন হবে বিচার—প্রকাশ্যে, নির্ভীক উচ্চারণে।

আজও জ্বলছে আগুন—
সাগর-রুনির,জামালপুরে নাদিম,গাইবান্ধার ফরিদুল ইসলাম রঞ্জু,বগুড়ার শেরপুরের দীপঙ্কর চক্রবর্তী—
সব নির্যাতিত, নিপীড়িত কণ্ঠের আগুন।

এই আগুন নিভবে না, যতক্ষণ না—সত্য পাবে আলো, অন্যায় পাবে জবাব।

তাই বলি—আমরা সাংবাদিক মরতে আসিনি,
আমরা এসেছি লিখতে—রক্ত দিয়ে ইতিহাস।
আমরা এসেছি প্রতিবাদের আগুনে—জ্বালাতে অন্যায়, কর্পুরের মতো নিশ্বাস!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর