মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ গ্রীন টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক আল আমিন ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান   ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী অফিসার শেরপুরের আসাদুজ্জামান রাসেল ডোমার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নূর বাদশা চৌধুরী আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী তাতিহাটি ইউনিয়নে মানবকল্যাণ ও সুশাসনের অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সেলিম মিয়া নবদিয়া অরুণ উদয় যুব সংঘের নির্বাচনে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে হাফিজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান তাতিহাতী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সেলিম মিয়া উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অঙ্গীকার মেধাবী লুবনা জামানের গ্রীণ ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার হিসেবে যোগদান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম, অর্জন করেছেন ভিসি অ্যাওয়ার্ড ও ইউসিজি অ্যাওয়ার্ড হারিয়াকোনায় গণসংযোগে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাসুদ রানা, মানুষের ভালোবাসায় অভিভূত

তদন্ত কমিটি হয় কিন্তু আর ফলোআপ থাকে না : চুন্নু

অগ্নিকাণ্ড / ৩১৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক:
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের এক একটি ঘটনা ঘটার পর তদন্ত কমিটি হয় কিন্তু তারপর আর কোনো ফলোআপ থাকে না।’

শনিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি, যাতে অবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন, ২২ জন গুরুতর আহত। যে ভবনটিতে আগুন লেগেছে সেই ভবনটিকে কোনো রেস্টুরেন্টের কোনো অনুমতি ছিল না। অথচ এই ভবনে ৮টা রেস্টুরেন্ট ছিল। রাজউক ও ডাপের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এক তলা থেকে ৭ তলা পর্যন্ত বাণিজ্যিক অনুমোদন দেওয়া ছিল। তবে তা শুধু অফিস কক্ষ হিসেবে ব্যবহারের জন্য। রেস্তোরাঁ, শো রুম বা অন্য কিছুর অনুমোদন ছিল না। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেছেন ভবনে কোনো ধরনের অগ্নি নিরাপত্তার ব্যবস্থাই ছিল না, কোনো নিরাপত্তা সিঁড়িও ছিল না। ভবটির যিনি ডিজাই করেছিলেন তিনি বলেছেন, ডিজাইন করা হয়েছিল সেখানে বাণিজ্যিক অফিস থাকবে। সেখানে যখন হোটেল করা হয় তখন এই আর্কিটেকচার তিনি ডেভলপার ও জমির মালিককে বারবার চিঠি দেন যে, এখানে এই বিল্ডিংয়ে যেভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এখানে রেস্তোরাঁ দেওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু তারা কথা শোনেন নাই।’

‘আমার প্রশ্ন হলো দেশের জনগণ ট্যাক্স দেয় সরকার পরিচালনার জন্য, সরকারের দায়িত্ব হলো দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রদান। সরকারের ৬টি সংস্থার এই ভবন তৈরি করার জন্য ক্লিয়ারেন্স লাগে, ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার পর ভবনের সুপারভিশন নাই।’

চুন্নু বলেন, ‘আমার প্রশ্ন হলো রাজউকের প্রত্যেকটি এলাকায় অফিসার থাকে, সেই অফিসারা কোথায়? একেকটা বিল্ডিং করে এক পারপাসে, ব্যবহার হয় অন্য পারপাসে। এই যে মানুষগুলো মারা গেল, এর জবাব কে দেবে? এর দায়-দায়িত্ব তো সরকারের, সরকারি সংস্থার, সরকারি অফিসের। এক একটা ঘটনা হয় আর সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্ত করা হবে। তদন্ত টিম করা হলো, তারপর কোনো ফলোআপ নেই। এভাবে তো দেশ চলতে পারে না। সরকারের যে জবাবদিহি করা দরকার। সরকারের অ্যাকশন নেওয়া দরকার দায়দায়িত্ব নিয়ে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর