সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
সিংগাইরে ছাত্তার ফাউন্ডেশনের ১৫ লাখ টাকার অনুদান পেল ১৫ অসহায় পরিবার গ্রাম আদালত সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বড়বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের বছরব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন ২০২৬ রংপুর মেডিকেল কলেজে বিশ্ব ফ্যাটি লিভার দিবস পালিত: দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ঝুঁকিতে বেপরোয়া বালুবাহী গাড়িতে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে সীমান্ত সড়ক সিংগাইরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে কর্মশালা: ‘স্বল্প ব্যয়ে দ্রুত বিচার ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় গ্রাম আদালত অনন্য’ তাড়াশে হ্যাচারির রাসায়নিকযুক্ত পচা ডিম রাস্তার পাশে: তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, ছড়াচ্ছে রোগবালাই প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশে প্রাক্তন স্বামীর ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগ সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অপসংস্কৃতি ও দারিদ্র্য বিমোচনে যা ভূমিকা রাখবে; চট্টগ্রামে মানবিক ফাউন্ডেশন #হাসির# এক যুগ পূর্তি উদযাপন; টাংগুয়ার হাওর বেড়াতে এসে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার 

ছোট তরমুজ পিস ৮০, কেজি ৯০!

অনলাইন ডেস্ক: / ৩১২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪

পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতারে ক্রেতাদের অন্যতম পছন্দের ফল তরমুজের চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। দিন দিন গরম বাড়তে থাকার কারণে তরমুজের চাহিদা আরও বাড়ছে। ছোট আকারের প্রতিটি তরমুজ বাদামতলী পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়।

যাত্রাবাড়ী পাইকারি বাজারে দাম আরও কম। হাত ঘুরে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গেলে ক্রেতার কাছে সেই তরমুজের এক কেজির দাম রাখা হচ্ছে ৭০-৯০ টাকা। রাজধানীর বাদামতলী ও যাত্রাবাড়ী পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের ৩-৪ কেজির তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা পিস হিসেবে। মাঝারি আকারের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৮০ টাকা পিস হিসেবে। আর বড় আকারের তরমুজের পিস বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩৫০ টাকায়।

যাত্রাবাড়ী পাইকারি বাজারে ছোট আকারের ৩-৫ কেজির তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৮০ টাকা করে। মাঝারি আকারের ৫-৮ কেজির তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা। আর বড় আকারের ৮-১২ কেজির তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়।

 

বাদামতলীর তরমুজ বিক্রেতা হারুন মিয়া বলেন, আকারভেদে তরমুজের দামের তারতম্য রয়েছে। আমরা আকারভেদে তরমুজ বিক্রি করে থাকি। এখান থেকে তরমুজ নিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা কেজি দরে বিক্রি করে থাকে। এতে দেখা যায় খুচরা ব্যবসায়ীদের কারণে প্রায় দ্বিগুণ দামে ক্রেতাদের তরমুজ কিনতে হয়। খুচরা বিক্রেতারা তরমুজ কেজি দরে বিক্রি করে থাকে। এতে তাদের লাভ বেশি থাকে।

যাত্রাবাড়ী এবং বাদামতলীর মাঝামাঝি বাজার হলো রায়সাহেব বাজার। সেখানে গিয়ে দেখা যায় তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজি দরে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। এক কিলোমিটার দূরত্বেই তরমুজের দামের তফাৎ দেখা যায় দ্বিগুণেরও বেশি।

রায়সাহেব বাজারের খুচরা বিক্রেতা মাহমুদ আলী বলেন, ‘আমরা আড়ত থেকে গড় দামে পিস হিসেবে তরমুজ কিনে আনি। কেজি দরে বিক্রি না করলে আমাদের লোকসান হয়।’ কারণ হিসেবে তিনি জানান, প্রতিটি তরমুজের গড় মূল্য পড়েছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মতো। এর মধ্যে ৪-৫ কেজি ওজনের ছোট আকারের, ৭-৮ কেজি ওজনের মাঝারি ও ৯ কেজির ওপরে বড় আকারের তরমুজ আছে। এ কারণে কেজি হিসেবে বিক্রি করলে কিছু লাভ থাকে।

তিনি আরও জানান, ছোট আকারের তরমুজ ১৫০-২০০ টাকা, মাঝারি আকারের ২৫০-৩০০ টাকা ও বড় আকারের ৪০০ টাকার বেশি চাইলে ক্রেতারা কিনতে চান না। তবে কেজি হিসেবে দাম চাইলে ক্রেতারা কিনেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর