শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বাঁশখালী মায়ের করা মামলায় ছেলে গ্রেপ্তার, জেলহাজতে প্রেরণ নিরপেক্ষতা ও সাহসের পরীক্ষায় ভোট কর্মকর্তারা, ১২ ফেব্রুয়ারিকে ঐতিহাসিক আখ্যা ডিসির বটিয়াঘাটায়উপজেলা আমির পুর ইউনিয়নে জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত, গাজীপুরে ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী বৃদ্ধ গ্রেফতার নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক নানিয়ারচর বাজার কমিটি’র নিকট পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ট্রলি প্রদান অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সকলের সহযোগিতা চান জেলা প্রশাসক সম্পর্কের টানাপোড়েনে ফেসবুক হলো প্রতিশোধের হাতিয়ার সিলেট রেঞ্জ ডিআইজির হাত থেকে সম্মাননা পেলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ নির্বাচনী আমেজে সরগরম গাজীপুর, রনির পক্ষে মাঠে শাহিন মিয়া ইসরা ও মেরাজের স্মৃতিতে ইবাদতে মুখর মুসলিম বিশ্ব

নামাজে সুরা ফাতিহা পড়তে হয় কেন

অনলাইন ডেস্ক: / ২০১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০২৪


ফিকহ গবেষকরা এ বিষয়ে একমত যে নামাজে সুরা ফাতিহা পাঠ করা আবশ্যক। হানাফি মাজহাব অনুসারে নামাজে সুরা ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব। অন্য মাজহাবে তা পাঠ করা ফরজ। প্রশ্ন হলো নামাজে সুরা ফাতিহা পাঠ করা আবশ্যক কেন? উত্তরে ধর্মতাত্ত্বিক আলেমরা বলেন, ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও শিক্ষা, পবিত্র কোরআনের মূলভাষ্য ও নামাজের মূল উদ্দেশ্য সুরা ফাতিহাতে বিবৃত হয়েছে। এ ছাড়া সুরা ফাতিহায় বান্দার কাছে আল্লাহর এবং আল্লাহর কাছে বান্দার প্রত্যাশাগুলো ফুটে উঠেছে।

বান্দার সর্বোত্তম প্রার্থনা : সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভি (রহ.) সুরা ফাতিহার তাৎপর্য বর্ণনা করে বলেন, ‘সুরা ফাতিহা নিয়ে একটু চিন্তা করে দেখুন! সুরাটি কোরআনের অলৌকিকত্বের উত্তম দৃষ্টান্ত। যদি পুরো পৃথিবীর সব মেধা, সকল জাতি-গোষ্ঠীর সৃষ্টিশীল কবি-সাহিত্যিক, মনোবিদ, নৈতিকতার শিক্ষক ও ধর্মীয় গুরু একত্র হয় এবং তারা এমন একটি বক্তব্য তৈরি করতে চায়, যা বিভিন্ন বর্ণ, শ্রেণি ও স্তরের মানুষের প্রার্থনা হিসেবে যথেষ্ট হবে—যদিও তাদের প্রয়োজন ও প্রত্যাশাগুলো পরস্পর থেকে ভিন্ন এবং যে বক্তব্যের মাধ্যমে তারা নিজেদের ইবাদতে মনের ভাব পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করতে পারবে, তবে তারা সুরা ফাতিহার চেয়ে উত্তম কোনো ভাষ্য তৈরি করতে পারবে না। কেননা সুরা ফাতিহা সর্বশ্রেণির মানুষের আত্মিক প্রশান্তির জন্য যথেষ্ট।’ (আরকানে আরবাআ, পৃষ্ঠা ৪৭)
সুরা ফাতিহাই নামাজ : আল্লাহর স্মরণ, ভাব, ভাষ্য ও প্রার্থনার বিচারে সুরা ফাতিহা নামাজেরই সমার্থক। এ জন্য হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ সুরা ফাতিহাকে ‘নামাজ’ শব্দে ব্যক্ত করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, আমার ও আমার বান্দার মধ্যে আমি নামাজকে (সুরা ফাতিহা) অর্ধেক অর্ধেক করে ভাগ করে নিয়েছি এবং আমার বান্দার জন্য আছে সে যা চায়। বান্দা যখন বলে, সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আল্লাহ তখন বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। সে যখন বলে, তিনি অতিশয় দয়ালু এবং করুণাময়); আল্লাহ বলেন, বান্দা আমার প্রশংসা করেছে, গুণগান করেছে। সে যখন বলে, তিনি বিচার দিনের মালিক; তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। আল্লাহ আরো বলেন, বান্দা তার সব কাজ আমার ওপর সমর্পণ করেছে। সে যখন বলে, আমরা কেবল তোমারই ইবাদাত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি। তখন আল্লাহ বলেন, এটা আমার ও আমার বান্দার মধ্যকার ব্যাপার। আমার বান্দার জন্য আছে সে যা চায়। যখন সে বলে, আমাদের সরল-সঠিক পথে পরিচালনা করুন। যেসব লোকদের আপনি নেয়ামত দান করেছেন, তাদের পথে নয়, যাদের প্রতি আপনার শাস্তি অবতীর্ণ হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। তখন আল্লাহ বলেন, এসবই আমার বান্দার জন্য এবং আমার বান্দার জন্য আছে সে যা চায়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৭৬৪)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর