শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবু সায়েম   এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারে মতবিনিময় সভা ও আহ্বায়ক ক‌মি‌টি গঠন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা পরিদর্শনে সিলেট-২ এর সাংসদ তাহসিনা রুশদীর লুনা সরকারের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে : এমপি লুনা তাহিরপুরে ৪২ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা, মোটরসাইকেলসহ ১জন আটক। জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু  ১৪ দফা দাবিতে গাজীপুরে বিএমএসএফের র‍্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে মাইজভান্ডারি গবেষক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খাঁন আজহারীর ইন্তেকাল চরবাড়ুকা, বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন

ফিরে দেখি জয়পুরহাট সদরে জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে যাদের।

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: / ১৮০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

২৪ মে-২০২৪।ফিরে দেখি জয়পুরহাট সদরে জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে যাদের।ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে জয়পুরহাট সদরে তিনটি পদে মোট ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।এর মধ্যে তিন চেয়ারম্যানপ্রার্থী সহ জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে ৯ প্রার্থীর।মঙ্গলবার (২১ মে-২০২৪) ভোটগ্রহণ শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে করে এ তথ্য জানা যায়।

নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী,উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য ১ জন প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুকূলে ১লাখ টাকা আর ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের জন্য ৭৫ হাজার টাকা জমা দিতে হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট যদি মোট প্রাপ্ত ভোটের ১৫ শতাংশের কম হয়,তাহলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।এর মধ্যে ৩ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে।এক পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ৩৪৫ জন। ৮২টি কেন্দ্রের ৬৪১টি কক্ষে মোট ভোট পড়েছে ৮৯ হাজার ৫৭২ টি।এর ১৫ শতাংশ ভোট হচ্ছে ১৩ হাজার ৪৩৬টি, যা পাননি ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী।

জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাওয়া ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন- সদর উপজেলা আ:লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন (ঘোড়া প্রতীক-২ হাজার ৯৭৪ ভোট), জেলা যুবলীগের সদস্য খাজা শামছুল আল আমীন (দোয়াত কলম-২ হাজার ১০ ভোট) ও জেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম মাসুদ (কাপ পিরিচ- ৩৬৭ ভোট)।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলা আ:লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান মিঠু ৭ হাজার ৪৮৫ ভোটের ব্যবধানে বে-সরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তিনি প্রথমবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আ:লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এ ই এম মাসুদ রেজা আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৮৫ ভোট।

এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হাচ্ছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ২১৯টি। প্রাপ্ত ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট ১৩ হাজার ৫৩৩টি যা পাননি ৫ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। তারা হলেন- মুনছুর রহমান (মাইক প্রতীক- ১১ হাজার ৬১৯ ভোট),জাকারিয়া মন্ডল (বৈদ্যুতিক বাল্ব -১০ হাজার ৬০৫ ভোট), শামীম আহম্মেদ (উড়োজাহাজ প্রতীক – ৯ হাজার ৪১০ ভোট),আলী আকবর মো: ইজাহারুল ইসলাম (চশমা প্রতীক-৭ হাজার ৪৭০ ভোট) ও উজ্জ্বল মিনজী (টিয়া পাখি-৫ হাজার ১৯৯ ভোট)।এখানে বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান আশোক কুমার ঠাকুর টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ২৩ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সি.এম আফরাঈম কাবীর তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫৪০ ভোট।

মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে ১ প্রার্থীর। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট পড়েছে ৮৯ হাজার ৪৯৭টি। প্রাপ্ত ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট ১৩ হাজার ৪২৪টি যা পাননি মোছা: নাছিমা আক্তার। তিনি বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৮১ ভোট।এখানে সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মোছা আছমা বিবি হাঁস প্রতীক নিয়ে ২৭ হাজার ৪৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা রহমান বিথী ফুটবল প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ২৪ হাজার ৭২৮টি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর