বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
“স্মরণকালের জনসভা, দুই দশকের অপেক্ষা শেষ: তারেক রহমান ফিরছেন মৌলভীবাজারে” বগুড়ায় চাচার সম্পত্তি দখলে নিতে হত্যা করে দুই ভাতিজা। বড়াইগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত!! ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মরহুম আব্দুল আলী ফোরকানিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সোনা মিয়া হত্যা মামলার ৬ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বাঁশখালীর বাঁশখালাতে হযরত শাহ বোঁচা ফকির (রহঃ) এর ফাতেহা শরীফ উপলক্ষে আজিমুশশান মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল সম্পন্ন ঝিনাইগাতীতে তীব্র শীতে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে  কম্বল বিতরণ করেন ইউএনও ডিবি তদন্তেও দমে নেই সোহরাব বাহিনী: নাটোরে পঙ্গু শ্রমিকের জমি দখল করে সেই টাকায় মামলা লড়ছে ভূমিদস্যুরা রাজনগরের ফতেপুরে কুশিয়ারা নদীর তাণ্ডব, বর্ষা এলেই আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর শেরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাহেন্দ্রগাড়ী ও ১চালক আটক, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা 

আমরা মনে করছি মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনারেরই : হারুন

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা / ১৮৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪

বাংলাদেশ ও ভারতে গ্রেফতার হওয়া আসামিদের বক্তব্য এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য ঘটনা বিবেচনায় কলকাতায় সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নেমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আনোয়ারুল আজীম আনারকে গত ১৩ মে কলকাতার মাটিতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে একটি মামলা রুজু হয়েছে। একই ঘটনায় কলকাতায়ও একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের কাছে তিনজন ঘাতক গ্রেফতার রয়েছেন। এর মধ্যে মূল ঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া।হত্যার পরিকল্পনা হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে আর হত্যাটি সংগঠিত হয়েছে কলকাতায়। মামলাটির তদন্তের জন্য আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম। আমাদের কাছে গ্রেফতার হওয়া আসামিদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ও ঘটনাস্থলে ডিজিটাল এভিডেন্সগুলো দেখতে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, মামলায় ভিকটিমের মরদেহ বা মরদেহের অংশ বিশেষ না পাওয়া গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তার সুরতহাল, ভিসেরা ও মেডিকেল রিপোর্ট দিতে বেগ পেতে হয়। এগুলো না পাওয়া গেলে মামলাটি নিষ্পত্তি করাও অনেক কঠিন হয়ে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের হাতে গ্রেফতার আসামিদের তথ্য ক্রস এক্সামিনেশন করেছি। এছাড়া কলকাতায় গ্রেপ্তার আসামির তথ্য যাচাই-বাছাই করেছি। কলকাতার সিআইডিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম সুয়ারেজ লাইন ও সেপটিক ট্যাংক দেখার জন্য। আমরা মনে করি, সেখান থেকে কিন্তু ভিকটিমের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা করে এ বিষয়ে জানাবে। আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করি, স্বাভাবিকভাবে ফ্লাশের মাধ্যমে মাংসগুলো সেখানে যায়নি। তাই আমরা মনে করছি, মরদেহের খণ্ডাংশগুলো এমপি আনারের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর