বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
চরশেরপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম স্বর্ণ সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শ্রীবরদীতে নবাগত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাকেরগঞ্জ পৌরসভাস্থ বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ গ্রীন টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক আল আমিন ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান   ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী অফিসার শেরপুরের আসাদুজ্জামান রাসেল ডোমার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নূর বাদশা চৌধুরী আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী তাতিহাটি ইউনিয়নে মানবকল্যাণ ও সুশাসনের অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সেলিম মিয়া নবদিয়া অরুণ উদয় যুব সংঘের নির্বাচনে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে হাফিজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান

আমরা মনে করছি মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনারেরই : হারুন

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা / ২৬৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪

বাংলাদেশ ও ভারতে গ্রেফতার হওয়া আসামিদের বক্তব্য এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য ঘটনা বিবেচনায় কলকাতায় সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নেমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আনোয়ারুল আজীম আনারকে গত ১৩ মে কলকাতার মাটিতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে একটি মামলা রুজু হয়েছে। একই ঘটনায় কলকাতায়ও একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের কাছে তিনজন ঘাতক গ্রেফতার রয়েছেন। এর মধ্যে মূল ঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া।হত্যার পরিকল্পনা হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে আর হত্যাটি সংগঠিত হয়েছে কলকাতায়। মামলাটির তদন্তের জন্য আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম। আমাদের কাছে গ্রেফতার হওয়া আসামিদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ও ঘটনাস্থলে ডিজিটাল এভিডেন্সগুলো দেখতে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, মামলায় ভিকটিমের মরদেহ বা মরদেহের অংশ বিশেষ না পাওয়া গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তার সুরতহাল, ভিসেরা ও মেডিকেল রিপোর্ট দিতে বেগ পেতে হয়। এগুলো না পাওয়া গেলে মামলাটি নিষ্পত্তি করাও অনেক কঠিন হয়ে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের হাতে গ্রেফতার আসামিদের তথ্য ক্রস এক্সামিনেশন করেছি। এছাড়া কলকাতায় গ্রেপ্তার আসামির তথ্য যাচাই-বাছাই করেছি। কলকাতার সিআইডিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম সুয়ারেজ লাইন ও সেপটিক ট্যাংক দেখার জন্য। আমরা মনে করি, সেখান থেকে কিন্তু ভিকটিমের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা করে এ বিষয়ে জানাবে। আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করি, স্বাভাবিকভাবে ফ্লাশের মাধ্যমে মাংসগুলো সেখানে যায়নি। তাই আমরা মনে করছি, মরদেহের খণ্ডাংশগুলো এমপি আনারের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর