রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত;

ফ্রিজে গরুর মাংস পাওয়ায় ভারতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১১ বাড়ি

রিপোর্টারের নাম / ২৬৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪

ভারতের মধ্যপ্রদেশের আদিবাসী অধ্যুষিত মান্দলা শহরে ১১ জনের ফ্রিজে গরুর মাংস পাওয়ায় তাঁদের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ বলছে, অবৈধ মাংস বাণিজ্যের বিরুদ্ধে চলা অভিযানের অংশ ছিল এটি।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইর প্রতিবেদনে বলা হয়, নৈনপুরের ভাইনওয়াহি এলাকায় জবাইয়ের জন্য বিপুল সংখ্যক গরু আনার খবরে অভিযান চালায় পুলিশ।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা রজত সাকলেচা পিটিআইকে বলেন, ‘আমরা ১৫০টির মতো গরু বাঁধা পেয়েছি। এছাড়া অভিযুক্ত ১১ জনের বাড়ির ফ্রিজেও মাংস ছিল। তাদের কাছে গরুর চর্বি, চামড়া ও হাড় ছিল।’

এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘স্থানীয় সরকারি পশু চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে জব্দ করা মাংস গরুর। আমরা প্রাথমিক ডিএনএ পরীক্ষার জন্য হায়দ্রাবাদে নমুনাও পাঠিয়েছি। অভিযুক্ত ১১ জনের বাড়ি সরকারি জমিতে থাকায় ভেঙে দেওয়া হয়েছে।’

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে মাংসগুলো জব্দ করার পর একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পরে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি ১০ জনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। অভিযুক্তরা সবাই মুসলিম।

পুলিশ কর্মকর্তা সাকলেচা জানান, মধ্যপ্রদেশে গরু জবাই করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের আইন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর