মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ গ্রীন টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক আল আমিন ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান   ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী অফিসার শেরপুরের আসাদুজ্জামান রাসেল ডোমার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নূর বাদশা চৌধুরী আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী তাতিহাটি ইউনিয়নে মানবকল্যাণ ও সুশাসনের অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সেলিম মিয়া নবদিয়া অরুণ উদয় যুব সংঘের নির্বাচনে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে হাফিজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান তাতিহাতী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সেলিম মিয়া উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অঙ্গীকার মেধাবী লুবনা জামানের গ্রীণ ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার হিসেবে যোগদান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম, অর্জন করেছেন ভিসি অ্যাওয়ার্ড ও ইউসিজি অ্যাওয়ার্ড হারিয়াকোনায় গণসংযোগে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাসুদ রানা, মানুষের ভালোবাসায় অভিভূত

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি দ্রুত বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২৬৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪

যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ফের দ্রুত বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্টে ৩৪ সে.মি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, পানি বাড়ায় যমুনার চরাঞ্চল ও অরক্ষিত অঞ্চলে তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনরোধে কয়েকটি পয়েন্টে জিওব্যাগ ফেললেও নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না। ফলে কাঁচা-পাকা বসতভিটা, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান, ফসলী জমি বিলীন হয়ে ভাঙ্গন কবলিতরা নি:স্ব হয়ে পড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষাবাঁধ হার্ড পয়েন্টে পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১২.০২ মিটার। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৪ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৮৮ সে.মি নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপদসীমা-১২.৯০ মিটার।

অন্যদিকে কাজিপুর উপজেলায় মেঘাই পয়েন্টে সকালে পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৭০ মিটার। গত ২৪ ঘন্টায় ৪০ সে.মি পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১১০ সেমি নীচ প্রবাহিত হচ্ছে। বিপদসীমা ১৪.৮০ মিটার। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে কৃষকের শাক-সবজি, তিল ও পাটক্ষেত তলিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, পানি বৃদ্ধির ফলে শাহজাদপুর উপজেলার পাচিল, আড়কান্দি, জালালপুর, সদর উপজেলার চরাঞ্চল কাওয়াকোলা ও কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ীর বিভিন্ন পয়েন্টে ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে প্রতিদিন কাচাপাকা স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙ্গন কবলিতরা ঘরবাড়ী ভেঙ্গে স্তুপ রেখে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। ভাঙ্গন কবলিতরা কষ্টে থাকলেও প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কেউ ভাঙ্গন কবলিতদের পাশে দাঁড়ায়নি। অন্যদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ড কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙ্গনরোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেললেও ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না। ভাঙ্গন কবলিতদের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতির কারনেই ভাঙ্গনরোধে কাজ হচ্ছে না। এ কারনে মানুষকে সবকিছু হারিয়ে নি:স্ব হতে হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, কয়েকটি পয়েন্টে ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনরোধে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলে নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করা হচেছ। কিন্তু করালগ্রাসী যমুনার ভাঙ্গনরোধ দ্রুত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর