সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বগুড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা: ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি দ্রুত বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২১৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪

যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ফের দ্রুত বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্টে ৩৪ সে.মি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, পানি বাড়ায় যমুনার চরাঞ্চল ও অরক্ষিত অঞ্চলে তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনরোধে কয়েকটি পয়েন্টে জিওব্যাগ ফেললেও নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না। ফলে কাঁচা-পাকা বসতভিটা, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান, ফসলী জমি বিলীন হয়ে ভাঙ্গন কবলিতরা নি:স্ব হয়ে পড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষাবাঁধ হার্ড পয়েন্টে পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১২.০২ মিটার। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৪ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৮৮ সে.মি নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপদসীমা-১২.৯০ মিটার।

অন্যদিকে কাজিপুর উপজেলায় মেঘাই পয়েন্টে সকালে পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৭০ মিটার। গত ২৪ ঘন্টায় ৪০ সে.মি পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১১০ সেমি নীচ প্রবাহিত হচ্ছে। বিপদসীমা ১৪.৮০ মিটার। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে কৃষকের শাক-সবজি, তিল ও পাটক্ষেত তলিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, পানি বৃদ্ধির ফলে শাহজাদপুর উপজেলার পাচিল, আড়কান্দি, জালালপুর, সদর উপজেলার চরাঞ্চল কাওয়াকোলা ও কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ীর বিভিন্ন পয়েন্টে ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে প্রতিদিন কাচাপাকা স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙ্গন কবলিতরা ঘরবাড়ী ভেঙ্গে স্তুপ রেখে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। ভাঙ্গন কবলিতরা কষ্টে থাকলেও প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কেউ ভাঙ্গন কবলিতদের পাশে দাঁড়ায়নি। অন্যদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ড কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙ্গনরোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেললেও ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না। ভাঙ্গন কবলিতদের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতির কারনেই ভাঙ্গনরোধে কাজ হচ্ছে না। এ কারনে মানুষকে সবকিছু হারিয়ে নি:স্ব হতে হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, কয়েকটি পয়েন্টে ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনরোধে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলে নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করা হচেছ। কিন্তু করালগ্রাসী যমুনার ভাঙ্গনরোধ দ্রুত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর