মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আশীষ কুমার চক্রবর্তী শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিক এহসান বিন মুজাহিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত লাকসাম পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে রাফসানুল ইসলামের প্রার্থীতা ঘোষণা নম্বর ওয়ার্ডে ফারুক হোসেন খানের ব্যাপক গণসংযোগ। বাঁশখালীতে এলপিজির অতিরিক্ত দাম আদায়: মোবাইল কোর্টে ডিলারকে জরিমানা। ঠাকুরগাঁওয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মুন্সীবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী সৈয়দ এনামুল হক। মধ্যনগরে বাঁধের মাটি চাপায় যুবকের এক মৃত্যু ‎সুনামগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি ফসল তলিয়ে যাওয়ায় ডিসি ইলিয়াস মিয়াকে কুকুরের বাচ্চা বলে আখ্যা দিলেন কৃষকেরা জগন্নাথপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী জননেতা সফিক শাহ এর পৃষ্ঠপোষকতায় ক্লাসিক চেস ক্লাবের সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত

বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্ষতচিহ্ন, ৯ উপজেলায় কৃষিতেই ১০৫ কোটি টাকা ক্ষতি

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ / ১৩৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪

বন্যার পানি নেমে যাওয়ার স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। ক্ষেতের মাচান থাকলেও নেই সবুজ গাছ। পানির নিচ থেকে ভেসে উঠছে পাট, পটল, আমন বীজতলা ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত। দ্বিতীয় দফায় দীর্ঘ স্থানীয় বন্যায় জেলার ৯ উপজেলায় শুধুমাত্র কৃষিতেই ক্ষতি হয়েছে ১০৫ কোটি টাকা।


জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে জেলার ৯ উপজেলায় শুধুমাত্র কৃষিতে ৮ হাজার হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল তলিয়ে যায়। এতে ক্ষতি হয়েছে ১০৫ কোটি টাকা। আর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা দাড়িয়েছে প্রায় ৫০ হাজার। অপরদিকে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে গ্রামাঞ্চলের কাঁচা পাকা সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াত করছে মানুষজন। এসব গ্রামীণ কাঁচাপাকা সড়ক ও ঘর বাড়ির ক্ষতি নিরুপনে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের সিতাই ঝাড় এলাকার কৃষক ছমির আলী বলেন, আমার এক বিঘা জমির পটলের আবাদ শেষ। এখনো বাড়ির চারিদিকে পানি। আমন বীজতলা করতে পারছি না। আমন আবাদও মনে হয় করা হবে না।

একই এলাকার কৃষক মোস্তাফা বলেন, বানের পানিতে এখনো সব জমি তলিয়ে। বীজতলা করার সময় শেষের দিকে। এবার আমাদের এলাকার কৃষক কেমন করে আবাদ করবে চিন্তায় বাঁচে না সবাই।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, দ্বিতীয় দফা বন্যায় কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলায় কৃষি সেক্টরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করছি। এছাড়াও কৃষকরা যেন আমন আবাদ ভালোভাবে করতে পারে পরামর্শ দিচ্ছি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ পর ব্রহ্মপুত্রসহ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত সব নদ নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে বন্যার কোন পূর্বাভাস নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর