শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
গ্লোবাল বাংলাদেশি অ্যালায়েন্স (জিবিএ)এর উদ্যোগে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের পলিসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত। গাজীপুরস্থ শ্রীবরদী -ঝিনাইগাতী ব্যাবসায়ীদের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত। সরিষাবাড়ীতে প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় পার্থেনিয়াম উদ্ভিদ নির্মুল অভিযান  শহীদ ওসমান হাদী স্মরণে আলোচনা সভা ও পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। আ.লীগ নেতা ও এনজিও প্রকল্প পরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান চাকরি জামানতের নামে অর্থ আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে; থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের রাউজানে হত্যার উদ্যেশ্য মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ সমাজের মেধাবী, জ্ঞানী, গুণী ব্যক্তি ও দেশের সম্পদ: গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী কুড়িগ্রামের তিন ইটভাটাকে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা, কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ। সাংবাদিক নাঈম মোঘলের পিতার ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। খুলনা -১ আসনের ইসলামীফ্রন্টের প্রার্থীর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়।

নিপুণের জন্য একরাতে ১৭ বার কল দেন শেখ সেলিম

বিনোদন ডেস্ক / ১৭০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০২৪

২০২২ সালে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের কাছে ১৩ ভোটে হারেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুণ। প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন তিনি। সেখান থেকে জল গড়ায় আদালতে। শেষমেষ আদালতের রায়ে সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসেন এই অভিনেত্রী।

শিল্পী সমিতির সেই নির্বাচন নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। নির্বাচনে হেরেও নিপুণ কীভাবে সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসলেন তা নিয়েও বিস্তর আলাপ হয়েছে। তবে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুললেননি।

সে সময়ে চুপ থাকলেও চিত্রনায়িকা নিপুণের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুলতে শুরু করেছেন অনেকে। যাদের একজন ২০২২ সালে শিল্পী সমিতির ভোটে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করা পীরজাদা হারুন।

সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ভোট গণনার রাতে তার ওপর দেশের ক্ষমতাবান একজন রাজনীতিবিদ চাপ প্রয়োগ করেছিলেন নিপুণকে জেতানোর জন্য।

হারুন বলেন, ‘সেদিন রাতে একের পর এক ফোনে আমাকে ভয় দেখানো হয় যে তুলে নিয়ে যাবে। পরে একটা জায়গায় যেতে বলেন, যেখানে বড় অঙ্কের টাকা রাখা ছিল। যখন রাজি হলাম না, তখন ফলাফল নিয়ে মামলা করা হলো। সেটা চলে গেল কোর্টে। তখন নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। আমাকে বানিয়ে দেওয়া হলো অন্য একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। নানা কাণ্ডে আমাকে ছোট করা হলো, এফডিসিতে নিষিদ্ধ করা হলো।’

দীর্ঘদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে দায়িত্বরত ছিলেন হারুন। নিজের এই সততার কারণে বারবার সরকারি চাকরিতে পদবঞ্চিত হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ওই নির্বাচনেই হারুনের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে যুক্ত এক সদস্য বলেন, ‘নিপুণকে জয়ী করতে সেদিন রাতে ১৭ বার ফোন করেন শেখ সেলিম সাহেব। এমনকি নির্বাচন কমিশনারকেও ভয়ভীতি দেখিয়ে গালিগালাজ করেন। বলেন, পুলিশ দিয়ে তুলে নিয়ে যাবেন।’

নিপুণের সঙ্গে শেখ সেলিমের সখ্যতা চোখে পড়েছে একাধিকবার। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে অভিজাত এলাকা বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউতে নিপুণ গড়ে তোলেন প্রসাধনী ও লাইফ-স্টাইল কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান ‘টিউলিপ নেইলস অ্যান্ড স্পা’। সাধারণত শেখ সেলিমের মতো নেতা পার্লার উদ্বোধন করার কথা না হলেও নিপুণের এই পার্লারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন তিনি।

এরপর থেকেই নিপুণ ও শেখ সেলিমের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা গেছে এফডিসিতে। এই নেতার প্রভাবে বিভিন্ন সময় নিজের অন্যায় আবদার পুরণ করেছেন নিপুণ। প্রভাব বিস্তার করেছেন সাধারণ শিল্পীদের ওপর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর