রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে অনিয়মের অভিযোগ, কাজী ফরিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি। নুর ইসলাম-তারেক আজিজের নেতৃত্বে বাদাঘাট বিক্রয় প্রতিনিধি এসোসিয়েশন প্রশাখা নির্বাচন ২০২৬ সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী মোঃ রহমত আলী সকলের কাছে দোয়া ও ভোট প্রত্যাশী ধানশাইলে আলোকিত যুব সংঘ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  প্রকৌশলী কাউছার আহমেদ সুমন চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬: প্রবাসে ঐতিহ্য-সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও কমিউনিটি ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার বিরুদ্ধে জমি দখল ও মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নানিয়ারচর সেনা জোন: মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ শেষে সনদ প্রদান মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না মকবুলের, পাশে দাঁড়িয়ে ৪ শতাংশ জমি দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু নকলায় বালিগঞ্জ বাজার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত সার্বিক সহযোগিতা ও সৌজন্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুবাস মিয়া একটি ভবনের বিদায়, কিন্তু স্মৃতির নয়

কোটা আন্দোলনে ৮১৯ জন নিহত: এইচআরএসএস

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২১২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং পরবর্তী গণঅভ্যুত্থানে ৮১৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। সংগঠনটি বলছে, নিহতদের মধ্যে ৬৯ শতাংশই ৩০ বছরের কম।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এইচআরএসএস আয়োজিত ‘২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘন’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।


সংস্থাটি জানিয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যম, হাসপাতাল, প্রত্যক্ষ্যদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তারা প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

এইচআরএসএস জানায়, আন্দোলনের সময় কমপক্ষে ৮১৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৩০ জনের নাম জানা গেলেও ১৮৯ জনের নাম জানা যায়নি। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ ও যুবক। তাদের সংখ্যা ২৪০ জন। আর শিশু নিহত হয়েছে ৮৩ জন। এছাড়া সারাদেশে আহত হয়েছেন প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।


গত জুলাইয়ের শুরুতে শুধু ঢাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন হলেও ১৬ তারিখ থেকে তা ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। ওই দিন সহিংসতায় নিহত হন ছয়জন। দিন যত বাড়তে থাকে, তত বাড়তে থাকে সহিংসতা, বাড়তে থাকে নিহতের সংখ্যা।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি জানায়, সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন সরকার পতনের দিন। ওই দিন নিহত হয়েছেন ২০৫ জন। এমনকি এই হত্যাকাণ্ডে নিহতদের প্রায় ৭০ শতাংশই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।


সংবাদ সম্মেলনে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির গবেষণা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার করতে হবে।’

মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, ‘সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত ও নির্দেশদাতাদের পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে যারা কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়ের হত্যাকাণ্ড সমর্থন করেছেন, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা উচিত।’

এ সময় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনসহ বিচার প্রক্রিয়া সংস্কার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় এইচআরএসএস।


সংবাদ সম্মেলনে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির উপদেষ্টা ও আইন সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন, সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর