মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাড়াশে মাজারে নতুন রান্নাশালা ও অজুখানা উদ্বোধন বকশীগঞ্জে পাহাড়ি ঢালুতে শিমুল আলু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক যোগাযোগে নিরলসভাবে কাজ করছে ART খুলনায় সুপার হিরো ডি এ তায়েব, ফ্যান ক্লাবের উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রবাসীদের মর্যাদা ও নতুন কালুরঘাট সেতুর কাজে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে: এমপি সরোয়ার আলমগীর চিকিৎসা, সাহিত্য ও ইসলামী জ্ঞানচর্চায় অনন্য ডা. মিজানুর রহমান কবি-সাহিত্যিক, ইসলামী আলোচক ও বহুমাত্রিক জ্ঞানচর্চায় উজ্জ্বল এক প্রতিভা ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নে উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সালেহ আহমেদ নানিয়ারচরে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত : অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের বার্তা টেকনাফ হ্নীলার ৫২ যুবক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকার অঙ্গীকার করেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে সরকারি রাস্তা দখল, স্থাপনা নির্মাণ, জনসাধারণের চলাচলে বাধা এবং রাস্তা বন্ধের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জরুরি প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন মাননীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রিয় এলাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

আন্দোলনে নিহতের ৩৬ দিন পর বাবা হলেন রুবেল

অনলাইন ডেস্ক: / ২০৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৪ আগস্ট কুমিল্লার দেবিদ্বারে গুলিতে নিহত উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবদুর রাজ্জাক রুবেলের স্ত্রী ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম দেন হ্যাপী আক্তার।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নবজাতক ও তার মা সুস্থ আছেন। নিহত আবদুর রাজ্জাক রুবেল দরিদ্র ছিলেন। বাস চালিয়ে সংসার চালাতেন তিনি। তার অকাল মৃত্যু এবং সন্তানের জন্মের পর পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আবদুর রাজ্জাক রুবেল ছিলেন তার বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর রুবেলই পরিবারে হাল ধরেছিল। বিয়ে করেন হ্যাপী আক্তারকে। তাদের ৬ বছরের আরও একটি মেয়ে আছে।

রুবেলকে হারিয়ে গত একমাস ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছে তার পরিবার। অবশেষে পুত্র সন্তানের জন্ম হওয়ায় পরিবারে আশার আলো জেগে ওঠে।

নিহত রুবেলের বৃদ্ধা মা হোসনেয়ারা বেগম নাতিকে কোলে নিয়ে কাঁদছেন। গণমাধ্যম কর্মীদের দেখে তিনি বলেন, ‘বাবারে আমার ছেলে আজ বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হইতো। কপাল পোড়া নাতিটা জন্মের পর তার বাবার মুখ দেখতে পারল না। বড় হয়ে বাবাকে খুঁজলে আমি কী জবাব দেব?’

রুবেলের স্ত্রী হ্যাপী আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামীর ইচ্ছে ছিল ছেলে সন্তান হলে রাইয়ান নাম রাখবেন। নাম রাইয়ানই রাখা হয়েছে। আমার একটি সুখী পরিবার ছিল, একটি গুলিতে নিভে গেল সব। সন্তানের মুখ যেতে পারল না তার বাবা। আমার স্বামীর কি অপরাধ ছিলো তাকে কেন ঘাতকরা গুলি করে মারল?’

এদিকে রুবেলের স্ত্রীর সিজার অপারেশন ও ওষুধপত্রের যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী দেবিদ্বার উপজেলা শাখা।

কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের জন্য শহীদ রুবেলের আত্মত্যাগ বিফলে যায়নি। তার আত্মত্যাগের বিনিময়ে একটি স্বৈরাচারী হাসিনার পতন হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী চেষ্টা করেছে শহীদ রুবেলের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর। এরই অংশ হিসেবে তার স্ত্রীর সিজার অপারেশন ও ওষুধপত্রের যাবতীয় খরচ বহন করেছে।’

প্রসঙ্গত, আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট দেবিদ্বার উপজেলা সদরে ছাত্র জনতার ওপর আক্রমণ চালায় আওয়ামী লীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। সেসময় দেবিদ্বার আজগর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সন্ত্রাসীরা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক রুবেলকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার করে। এ ঘটনায় পরিবার ও দলীয়ভাবে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। নিহত রুবেল দেবিদ্বার পৌরসভার বারেরা গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর