মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: ব্রিটিশ এমপি বব ব্ল্যাকম্যান রাজশাহীতে ধানের শীষের প্রচারণায় মাঠে যুবদলের ব্যাপক গণসংযোগ রাউজানে সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ঢাকা রিজেন্সিতে আন্তর্জাতিক বিজনেস নেটওয়ার্কিং ডিনার পার্টি ২০২৬ সম্পন্ন ভুরুঙ্গামারীতে মাকসুদা আজিজ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থবৃত্তি ও সনদ প্রদান। শেরপুরে নির্বাচনী পথ সভায় প্রধান অতিথি মাহমুদুল হক রুবেল: ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন! শেরপুরে এএসআই-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে সতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক অচিন্ত কুমার মণ্ডলের সাংবাদিক সম্মেলন। সিরাজগঞ্জ ৫ আসনের বিএনপি প্রার্থীর বেলকুচি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক মতবিনিময়। শেরপুরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ!

সয়দবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সেরাজুলকে গ্রেফতার দাবী

রিপোর্টারের নাম / ২৩১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্বৈরাচারিনী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সয়দবাদ ইউনিয়নের পোড়াবাসী গ্রামের মানুষসহ ্ইউনিয়নের নিরীহ মানুষকে জেল-জুলুমসহ নানা ভয়ভীতি ও পোড়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার মুলহোতা যমুনা ডিগ্রী কলেজের মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সেরাজুল ইসলামকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সন্ত্রাসী বাহিনীর লিডার সেরাজুলকে দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে জানিয়েছেন এলাকার ভুক্তভোগীরা।
জানা যায়, পোড়াগ্রামের বাসিন্দা সেরাজুল ইসলাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হবার সুবাদে স্বৈরাচারিনী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কলেজে ও এলাকায় ব্যাপক দাপট দেখিয়ে চলতেন। দাপটের কারনে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে পোড়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদ বাগিয়ে নেন। এরপর উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যাপক নিয়োগ বাণিজ্য করেন। সম্প্রতি স্কুলে অফিস সহায়ক, নিরাপত্তাকর্মী ও কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর নিয়োগ নিয়ে অন্তত ৩০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও স্বৈরাচারিনী সরকারের সময় পোড়াবাড়ী গ্রামসহ ইউনিয়নের বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীসহ এলাকার নিরীহ মানুষকে ক্ষমতার দাপটে নানাভাবে নির্যাতন ও অতিষ্ঠ করে রেখেছেন।

এছাড়াও যমুনা ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক হলেও নিয়মতি কলেজে উপস্থিত না থেকে কয়েক দিন পর কলেজে গিয়ে স্বাক্ষর করে চলে আসতেন। গণ অভুত্থ্যানে স্বেচারিনী শেখ পতনের পর তিনি গা-ঢাকা দেন। একমাস পর স্থানীয় কিছু লোকের সহায়তা এলাকায় ফিরে আসলে কলেজে যাননি। কিছু অসাধু লোকের যোগসাজসে কলেজে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে সাবেক এমপি ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না ও যমুনা ডিগ্রী কলেজের সদ্য বহিস্কৃত সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফারুকের কাছের ছোট ভাই পরিচয় দিয়ে দেয়া সেরাজুল ইসলাম কলেজের সকল কমিটিতে আহবায়ক/ সদস্য রাখতে বাধ্যতামুলক করেছিলেন। ক্ষমতার দাপটে নির্বাচন ছাড়া কলেজে একটানা ১৬ বছর যাবত স্টাফ কাউন্সিলের সেক্রেটারী পদে রয়েছে। এছাড়াও বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিনের পক্ষে গোপন মিটিং করার দায়ে গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন। নানা অভিযোগে অভিযুক্ত সেরাজুল এখনো কিছু অসাধু লোকজনের ছত্রচ্ছায়ায় দাপট দেখিয়ে চলছেন। এ অবস্থায় সেরাজুলকে গ্রেফতারপুর্বক শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে সেরাজুল ইসলাম জানান, আমি কোন অনিয়ম-দুর্নীতি বা কারো উপর জুলুম নির্যাতন করিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর