রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাতালিকা থেকে ৪৯ তম বিসিএসে ইংরেজি ক্যাডারে ১৪তম:সাফল্যের নেপথ্যে জীবনসঙ্গীর ত্যাগ ও অনুপ্রেরণা ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাউজানের হলদিয়ায় শতাধিক বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে  উপহার বিতরণ মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের ত্রাণ পেল ৩ হাজার পরিবার সৌদিআরবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের অপহরণ, ছিনতাই ও নারী কর্মীদের অশালীনতা নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত; ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে ছাতকের জাউয়া গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করলেন আবু হামজা ৪৫তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে দেশসেরা সপ্তম: খুলনার কৃতী সন্তান ইফতিয়ার হোসেন শাওনের অনন্য সাফল্য ‘প্রতিশ্রুতি নয়, কাজের মাধ্যমেই মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই’ — চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সুমন খান। সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল গনি শেখের ওপর মব সৃষ্টির ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ ঢাকা প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের

চীনে রাশিয়ার গোপন ড্রোন প্রকল্প চালু, যুক্তরাষ্ট্রের কপালে ভাঁজ

অনলাইন ডেস্ক: / ১৮০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক ড্রোন উৎপাদন করতে চীনে গোপন অস্ত্র প্রকল্প চালু করেছে রাশিয়া। ইউক্রেন যুদ্ধে এই অস্ত্র ব্যবহার করা হতে পারে বলেই শোনা যাচ্ছে। ইউরোপের একটি গোয়েন্দা সংস্থার দুটি সূত্র ও রয়টার্সের পর্যালোচনা করা নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

একটি নথি থেকে জানা যায়, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অস্ত্র কোম্পানি আলমাজ-আন্তের সহায়ক সংস্থা আইইএমজেড কুপোল স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় চীনে গারপিয়া-৩ (জি-৩) নামের একটি নতুন মডেলের ড্রোন তৈরি করে পরীক্ষা করেছে। চলতি বছরের শুরুতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কুপোলের কাজের রূপরেখা দিয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।
এমন তথ্য গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

চলতি বছরের শুরুতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কুপোলের কাজের রূপরেখা দিয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে কুপোল রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে আরও জানিয়েছিল যে, তাঁরা চীনের একটি কারখানায় জি-৩ ড্রোন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল। এসব অস্ত্রগুলো ইউক্রেনের “বিশেষ সামরিক অভিযানে” ব্যবহার করা করা যেতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধকে রাশিয়া বিশেষ সামরিক অভিযান বলে থাকে।

তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি কুপোল, আলমাজ-আন্তে ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। চীনও বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে। তারা আরও বলেছে ড্রোন, বা মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) রফতানির ওপর তাদের কড়াকড়ি রয়েছে।

ওয়াশিংটনের থিংক ট্যাঙ্ক ‘দ্য সেন্টার ফর নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির’ (সিএনএএস) গবেষক স্যামুয়েলের দাবি, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞায় পড়তে চাইছে না চীন, তাই তারা রাশিয়ার সাথে এমন কাজে যুক্ত থাকার বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। তার মতে, রাশিয়ার সামরিক ড্রোন উৎপাদনে চীন সহায়ক ভূমিকা পালন করছে, সেটি নিশ্চিত হতে আরও তথ্য জানা প্রয়োজন।

তবে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল বলেছে, চীনে রাশিয়ার ড্রোন প্রকল্প চালুর খবরে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া রাশিয়ার একটি কোম্পানিকে চীনা কোম্পানির বিপজ্জনক সহায়তা দেওয়ার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছে তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর