শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
গ্লোবাল বাংলাদেশি অ্যালায়েন্স (জিবিএ)এর উদ্যোগে ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের পলিসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত। গাজীপুরস্থ শ্রীবরদী -ঝিনাইগাতী ব্যাবসায়ীদের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত। সরিষাবাড়ীতে প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় পার্থেনিয়াম উদ্ভিদ নির্মুল অভিযান  শহীদ ওসমান হাদী স্মরণে আলোচনা সভা ও পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। আ.লীগ নেতা ও এনজিও প্রকল্প পরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান চাকরি জামানতের নামে অর্থ আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে; থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের রাউজানে হত্যার উদ্যেশ্য মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ সমাজের মেধাবী, জ্ঞানী, গুণী ব্যক্তি ও দেশের সম্পদ: গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী কুড়িগ্রামের তিন ইটভাটাকে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা, কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ। সাংবাদিক নাঈম মোঘলের পিতার ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। খুলনা -১ আসনের ইসলামীফ্রন্টের প্রার্থীর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়।

গাজার প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি ইসরায়েলের

অনলাইন ডেস্ক: / ১১৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪

ফিলিস্তিনের গাজায় হামাস সরকারের প্রধানমন্ত্রী রাউহি মুশতাহাকে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) এক এক্স-বার্তায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এ দাবি করেছে। এ ছাড়া দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটেরও একই দাবি।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল ও রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলের দাবির বরাতে বলা হয়, তিন মাস আগে গাজা উপত্যকায় রাউহি মুশতাহার অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী ও হামাসের উচ্চ পদস্থ দুই কর্মকর্তা নিহত হন। তারা হলেন- হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা সামেহ আল-সিরাজ ও গোষ্ঠীটির সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রধান সামি ওদেহ।

মুশতাহা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে ইসরায়েলের কারাগারে ছিলেন। ২০১১ সালে বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে মুক্তি পান। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি হামাস যোদ্ধাদের কাছে সিনিয়র ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন এবং মুক্তির পর গাজাবাসীর সেই আবেগ ধরে রাখেন।

তার মুক্তির মাত্র তিন দিন পর তিনি গাজা শহরের একটি রাত্রিকালীন সমাবেশে হাজির হন। ওই সমাবেশে হামাসের সশস্ত্র সেনাদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে তিনি বক্তৃতা করেন। ওই বক্তব্য গাজাবাসীর ওপর বেশ প্রভাব ফেলে।

মুশতাহা হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ডান হাত ছিলেন। যুদ্ধের কৌশল নির্ধারণে তার ভূমিকা অগ্রগণ্য। গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের অভিযান শুরুর পর এ হত্যাকাণ্ড অন্যতম সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

আইডিএফ জানায়, গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে একটি টানেলে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যরা লুকিয়ে ছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনী সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যে সেখানে বিমান হামলা চালায়। আইডিএফ সুড়ঙ্গটিকে একটি সুরক্ষিত এবং সজ্জিত ভূগর্ভস্থ কম্পাউন্ড বলে বর্ণনা করে। সেখান থেকে হামাস যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ করত। সুড়ঙ্গটিতে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম মজুত ছিল। হামলা না করলে মুশতাহা দীর্ঘদিন সেখানে অবস্থান করে নেতানিয়াহুর বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারত বলে দাবি ইসরায়েলের।

হামাস সিনিয়র কর্মকর্তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। আইডিএফ বলেছে, যোদ্ধাদের মনোবল এবং কার্যকারিতা ধরে রাখতে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি তা প্রকাশ থেকে বিরত থেকেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর