বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ইসরা ও মেরাজের স্মৃতিতে ইবাদতে মুখর মুসলিম বিশ্ব ‎সুনামগঞ্জ শহরে  অজ্ঞাত ব্যাক্তির গলিত দু*র্গন্ধ  মরাদেহ নিজ হাতে উদ্ধার করলেন ওসি রতন সেখ (পিপিএম) জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর বটিয়াঘাটায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, ‎সুনামগঞ্জ পৌর শহরের কালিপুর গ্রামে পুলিশের অভিযানে ১৮ বোতল ভারতীয় মদসহ- ১জন গ্রেফতার বাঁশখালীতে সেনাবাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পলাতক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাঁশখালীতে কঠোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা দিনাজপুর-৪ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আক্তারুজ্জামান মিয়া ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের বিজয় অপরিহার্য: গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ- রাউজানে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়াস কাদের চৌধুরী যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: ব্রিটিশ এমপি বব ব্ল্যাকম্যান

শেরপুরে কমছে নদ-নদীর পানি, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

অনলাইন ডেস্ক: / ১০৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪

বৃষ্টি না থাকায় শেরপুরে কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। এতে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও পানিবন্দি হাজারও পরিবার। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও সুপেয় পানির সংকট। জেলায় এ পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

বন্যার কারণে জেলার ২৪২টি প্রাথমিক ও ৮৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছে শিশু ও বয়স্ক নারীরা।
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে শেরপুরের পাঁচ উপজেলা। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়ে দুই লাখেরও বেশি মানুষ।

কৃষি বিভাগ ও মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় ৪৭ হাজার হেক্টর আবাদি জমির আমন ধান ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া ১ হাজার হেক্টর জমির সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর মাছের ঘের তলিয়ে গেছে ৬ হাজারেরও বেশি। এতে মাথায় হাত পড়েছে আমন ও মৎস্যচাষীদের। সব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জেলার অন্তত পৌনে দুই লাখ কৃষক। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা ও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

শেরপুরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে গ্রামীণ সড়কগুলোতে পানি থাকায় ক্ষতি নিরূপণ করা যাচ্ছে না। উপজেলা পর্যায়ে আমাদের টিম রয়েছে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তারা কাজ করবে। পানি নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ বলা যাবে।

শেরপুর খামারবাড়ির উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস বলেন, পাহাড়ি ঢলে তিন উপজেলার আমন ধান ও সবজির আবাদ নষ্ট হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি কমবেশি নির্ভর করবে পানি নেমে যাওয়ার উপর। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, জেলার প্রায় সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে। পানি কমতে শুরু করেছে এতে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর