সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বগুড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা: ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল

শেরপুরে কমছে নদ-নদীর পানি, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

অনলাইন ডেস্ক: / ১২৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪

বৃষ্টি না থাকায় শেরপুরে কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। এতে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও পানিবন্দি হাজারও পরিবার। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও সুপেয় পানির সংকট। জেলায় এ পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

বন্যার কারণে জেলার ২৪২টি প্রাথমিক ও ৮৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছে শিশু ও বয়স্ক নারীরা।
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে শেরপুরের পাঁচ উপজেলা। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়ে দুই লাখেরও বেশি মানুষ।

কৃষি বিভাগ ও মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় ৪৭ হাজার হেক্টর আবাদি জমির আমন ধান ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া ১ হাজার হেক্টর জমির সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর মাছের ঘের তলিয়ে গেছে ৬ হাজারেরও বেশি। এতে মাথায় হাত পড়েছে আমন ও মৎস্যচাষীদের। সব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জেলার অন্তত পৌনে দুই লাখ কৃষক। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা ও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

শেরপুরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে গ্রামীণ সড়কগুলোতে পানি থাকায় ক্ষতি নিরূপণ করা যাচ্ছে না। উপজেলা পর্যায়ে আমাদের টিম রয়েছে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তারা কাজ করবে। পানি নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ বলা যাবে।

শেরপুর খামারবাড়ির উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস বলেন, পাহাড়ি ঢলে তিন উপজেলার আমন ধান ও সবজির আবাদ নষ্ট হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি কমবেশি নির্ভর করবে পানি নেমে যাওয়ার উপর। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, জেলার প্রায় সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে। পানি কমতে শুরু করেছে এতে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর