বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
চরশেরপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম স্বর্ণ সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শ্রীবরদীতে নবাগত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাকেরগঞ্জ পৌরসভাস্থ বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ গ্রীন টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক আল আমিন ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান   ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী অফিসার শেরপুরের আসাদুজ্জামান রাসেল ডোমার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নূর বাদশা চৌধুরী আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী তাতিহাটি ইউনিয়নে মানবকল্যাণ ও সুশাসনের অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সেলিম মিয়া নবদিয়া অরুণ উদয় যুব সংঘের নির্বাচনে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে হাফিজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান

চকবাজার ফুলতলার মোড় কিশোর গ্যাং এর আয়ের উৎস- প্রশাসন নীরব।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ / ১৯৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম নগরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা চকবাজারের ফুলতলা মোড়, ঘাষিয়ার পাড়া ও কে.বি. আমান আলী রোড এখন কিশোর গ্যাংয়ের অবাধ দখলে। প্রতিদিন এই এলাকায় মদ, চাঁদাবাজি, জুয়া, ইয়াবা বেচাকেনা, চোলাই মদের কারবারসহ নানাবিধ অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। এই সমস্ত অপকর্ম চলছে প্রশাসনের চোখের সামনে—কিন্তু ব্যবস্থা নেই। বরং অভিযোগ আছে, এসব গ্যাং চালাতে সহায়তা করছে পুলিশের কিছু সোর্স ও প্রভাবশালী মহল।

এই কিশোর গ্যাংগুলোর আয়ের মূল উৎস হচ্ছে ফুটপাতের ভ্যানগাড়ি, অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো রিকশা, প্রকাশ্য জুয়ার আসর, ও মাদক চোরাচালান। এদের দৌরাত্ম্যে একদিকে যেমন এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল—সবই জিম্মি হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে জনগণের জীবন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে।

সরকারি রাজস্বদাতা সাধারণ মানুষ, দোকানদার ও বাসিন্দারা এখন চাঁদাবাজ কিশোর গ্যাংদের কাছে বন্দি। সড়ক জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবৈধ অটো-ভ্যানের কারণে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল পর্যন্ত বন্ধ। স্কুলপড়ুয়া শিশু-কিশোরদের জীবন আজ ঝুঁকিতে।

এই অপরাধীদের ধরতে গেলে সাংবাদিকরাও রেহাই পান না। ভিডিও করতে গেলেই ক্যামেরা ভাঙচুর করে, আক্রমণ করে। অথচ এদের পেছনে যে অর্থের জোগানদাতা আছে, তা ওপেন সিক্রেট। স্থানীয় প্রশাসন কেন নীরব, সেটা এখনই প্রশ্ন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের কড়া নির্দেশনা থাকার পরেও, বাস্তবায়নে নেই দৃশ্যমান অগ্রগতি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য দিয়েও থানায় মামলা নেওয়া হয় না। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা জনমনে চরম হতাশা সৃষ্টি করছে।

এই অবস্থায় এলাকাবাসী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, RAB, ডিবি এবং পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সময় থাকতে ব্যবস্থা না নিলে ফুলতলার মতো জনবহুল এলাকাগুলোতে কিশোর গ্যাংয়ের সন্ত্রাস অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর