রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত;

“চাটুকার নয়, সাহসী রিমনের মতো সাংবাদিকই সময়ের দাবি”— চট্টগ্রামে স্মরণসভা তপ্ত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ / ২১৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

অনুসন্ধানী সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমনের মৃত্যুতে আয়োজিত স্মরণসভা পরিণত হয় সাংবাদিকতা পেশায় অনুপ্রবেশকারী দালাল ও সুবিধাবাদীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদের প্ল্যাটফর্মে। বক্তারা বলেন— “মব জাস্টিস সাংবাদিকদের জন্য নয়, এটি বর্বর সামরিক জান্তা ও যুদ্ধাপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য। মতভিন্নতার কারণে সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতি বা হয়রানি সম্পূর্ণ বেআইনি।”

চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিলের আয়োজন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা। সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি সৈয়দ মিজান সমরকান্দী।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ওয়ার্ল্ড প্রেস কাউন্সিল নির্বাহী পরিষদ ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত।
তিনি বলেন, “সাংবাদিককে মতবিরোধের কারণে কর্মস্থল থেকে বের করে দেওয়া কিংবা চাকরিচ্যুত করা শুধু আইনের লঙ্ঘন নয়—এটি নৈতিক হত্যাকাণ্ড।”

কাদেরী শওকতের তীব্র বার্তা:“সাংবাদিক সমাজে কিছু সুবিধাবাদী এজেন্ট অনুপ্রবেশ করেছে, যারা নিজেরা কোনোদিন গণতন্ত্রের জন্য রাস্তায় নামেনি, অথচ এখন নিজেরাই পরামর্শদাতা! এদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের ইমেজ আজ প্রশ্নবিদ্ধ।”

তিনি আরো বলেন, “সাংবাদিক রিমনের মতো অনুসন্ধানী, সাহসী ও জনবান্ধব সাংবাদিকই এই সমাজে প্রয়োজন। চাটুকার, তোষামোদকারীরা সাংবাদিকতা পেশায় থাকা মানে, জাতির জন্য কলঙ্ক।” সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একটি মন্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন:“আপনারা বিএনপির সাংবাদিক হবেন না, দেশের সাংবাদিক হোন। দেশের মানুষের সাংবাদিক হোন।”— এই বার্তাই আজ সময়ের দাবিতে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।

স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি এস এম জামাল উদ্দিন,,বিএসএ যুগ্ম আহ্বায়ক সোহাগ আরেফিন,,প্রবীণ সাংবাদিক কামাল উদ্দিন,,লেখক ও সাংবাদিক কামাল পারভেজ,,জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি মোঃ আজম খাঁন,,সাধারণ সম্পাদক হাসানুল আলম,,মাইটিভি চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নুরুল কবির,, সাংবাদিক সাইফুর রহমান সাইফুল। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি কে এম রুবেল,,

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী,,সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন লিটন, মোঃ জমির উদ্দীন, নাসিমা আক্তার, তসলিমা খানমসহ প্রায় ১৫টি সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধি। সঞ্চালনায় ছিলেন সাংবাদিক রেবেকা সুলতানা রেখা চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম বাবলু। সভা শেষে মরহুম রিমনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত মাওলানা ইমাম মারুফ রেজা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর