মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ গ্রীন টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক আল আমিন ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান   ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী অফিসার শেরপুরের আসাদুজ্জামান রাসেল ডোমার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নূর বাদশা চৌধুরী আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী তাতিহাটি ইউনিয়নে মানবকল্যাণ ও সুশাসনের অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সেলিম মিয়া নবদিয়া অরুণ উদয় যুব সংঘের নির্বাচনে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে হাফিজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান তাতিহাতী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সেলিম মিয়া উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অঙ্গীকার মেধাবী লুবনা জামানের গ্রীণ ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার হিসেবে যোগদান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম, অর্জন করেছেন ভিসি অ্যাওয়ার্ড ও ইউসিজি অ্যাওয়ার্ড হারিয়াকোনায় গণসংযোগে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাসুদ রানা, মানুষের ভালোবাসায় অভিভূত

গোপন অভিযানে ধরা পড়লো ৬৭ কেজি গাঁজা মামলার পলাতক আসামী

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি / ১৩৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

দিনাজপুরের খানসামায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের আরেকটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ৬৭.৪০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার মামলার অন্যতম আসামী মোঃ আজাহার আলী (৬০)-কে গ্রেফতারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আজাহার আলী চিরিরবন্দর উপজেলার উত্তর নশরতপুর সারপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, ২১ নভেম্বর ২০২৫ রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিনাজপুর শহরের দক্ষিণ কোতোয়ালি থানার মালিগ্রাম বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা আজাহার আলীকে সেখান থেকেই আটক করে পুলিশ। পরে নিয়মিত প্রক্রিয়া শেষে তাকে খানসামা থানায় এনে মামলার নথির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।

সোমবার সকালে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে তাকে দিনাজপুরের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমুল হক বলেন— “মাদক শুধু কোনো ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না; এটি একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি প্রজন্মকে নষ্ট করে দেয়। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এই ভয়ংকর গ্রাস থেকে বাঁচাতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। আটক আজাহার আলী দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের হয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছিল বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে।

গোয়েন্দা নজরদারি ও সচেতন জনগণের সহযোগিতা থেকেই আমরা তাকে ধরতে সক্ষম হয়েছি। খানসামায় মাদক ব্যবসা কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না। পরিবহন, সরবরাহ, বিক্রি—যে কোনো স্তরে যারা জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকমুক্ত খানসামা গড়াই আমাদের অঙ্গীকার। পুলিশের এই অভিযান আগামী দিনেও আরও জোরদার হবে এবং কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।”

মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের এই সাফল্যে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সচেতন মহলে এর ব্যাপক প্রশংসা দেখা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর