বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা পরিদর্শনে সিলেট-২ এর সাংসদ তাহসিনা রুশদীর লুনা সরকারের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে : এমপি লুনা তাহিরপুরে ৪২ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা, মোটরসাইকেলসহ ১জন আটক। জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু  ১৪ দফা দাবিতে গাজীপুরে বিএমএসএফের র‍্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে মাইজভান্ডারি গবেষক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খাঁন আজহারীর ইন্তেকাল চরবাড়ুকা, বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন আনন্দবাজারে র‍্যাব-৯ এর হানা: বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার সুনামগঞ্জ সদর থানায় এক যুবককে (একশত সত্তর) পিস কথিত নেশাজাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট, সহ গ্রেফতার। খুলনা প্রেসক্লাব সভাপতি মোস্তফা-সম্পাদক তরিকুল’সহ  নির্বাচিত সকলকে খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের পক্ষ্য থেকে অভিনন্দন 

চুরির অপবাদে হাত-পায়ের নখে সুই ঢুকিয়ে কিশোর নির্যাতন, গ্রেফতার ১

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ৮১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় নূপুর চুরির অপবাদে এক কিশোরকে তুলে নিয়ে দোকানঘরে বেঁধে রেখে নৃশংসভাবে নির্যাতনের ঘটনায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার কিশোরের নাম হাফিজ উদ্দিন। তিনি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সীমান্তগ্রাম পুরান লাউড়গড়ের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে লাউড়গড় গ্রামের আমির উদ্দিনের শিশু কন্যার একটি রুপার নূপুর হারিয়ে যায়। ওই ঘটনার জের ধরে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সীমান্ত বাজার লাউড়গড় এলাকা থেকে কিশোর হাফিজকে তুলে নিয়ে যান মৃত আহামদ আলীর ছেলে আমির উদ্দিন। পরে তাকে একটি দোকানঘরের ভেতরে বেঁধে রেখে স্বীকারোক্তি আদায়ের নামে চরম নির্যাতন চালানো হয়।

নির্যাতনকারীরা হাফিজের হাত ও পায়ের নখের ভেতরে সুই ঢুকিয়ে, প্লাস দিয়ে চেপে ধরে এবং দফায় দফায় মারধর করে। এতে কিশোরটি দুবার জ্ঞান হারায়। এমনকি জ্ঞান ফেরার পরও শরীরের ক্ষতস্থানে ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি ঢেলে আবারও নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্য এবং স্থানীয় সালিশদারদের সহায়তায় কিশোরকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নির্যাতিত কিশোরের চাচা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে লাউড়গড় সীমান্ত গ্রামের আমির উদ্দিন, তার ছেলে সফিকুল ও তরিকুল, একই গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে রাকিবসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২–৩ জনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পরপরই মঙ্গলবার রাতে বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা প্রধান অভিযুক্ত আমির উদ্দিনকে গ্রেফতার করে। অভিযোগটি পরবর্তীতে নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন বুধবার রাতে জানান, “আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। কিশোর নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিলের জন্য তাহিরপুর থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর