রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত;

গুনাগরী উদ্দীপন এনজিওর বিরুদ্ধে চরম অনিয়মের অভিযোগ অসহায় নারীর তিলে তিলে জমানো সঞ্চয় আটকে রেখে তালবাহানার পাহাড়

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ৪৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ সঞ্চয়ের নামে সংগ্রহ করে দুঃসময়ে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গুনাগরী উদ্দীপন এনজিওর বিরুদ্ধে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এক অসহায় নারী সদস্য, যিনি জীবনের প্রয়োজনের কথা ভেবে তিলে তিলে জমানো টাকা ফেরত না পেয়ে আজ চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

ভুক্তভোগী সদস্যের নাম শাকেরা বেগম। তার সদস্য নম্বর ২৫৭৬১৪৮, সংগঠনের কোড ২২১৫০৮। শাকেরা বেগমের দাবি, তিনি এনজিওটিতে নিয়মিত সঞ্চয়ের মাধ্যমে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জমা রেখেছেন। নিয়ম অনুযায়ী এই টাকার সঙ্গে মুনাফা যোগ হলে তার পাওনার পরিমাণ আরও অনেক বেশি হওয়ার কথা।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, টাকা উত্তোলনের জন্য বারবার যোগাযোগ করলেও এনজিও কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক তালবাহানা করছে। কখনো কাগজপত্রের অজুহাত, কখনো অফিসের সিদ্ধান্তের কথা বলে মাসের পর মাস ঘুরানো হচ্ছে তাকে। এতে করে একজন অসহায় নারীকে চরম মানসিক যন্ত্রণা ও আর্থিক সংকটে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

শাকেরা বেগম ক্ষোভের সঙ্গে বলেন,
“এই টাকা আমি ভিক্ষা করে পাইনি। কষ্ট করে জমিয়েছি। আজ যখন সবচেয়ে বেশি দরকার, তখন আমাকে ঘুরানো হচ্ছে। এটা আমাদের মতো গরিব মানুষের সঙ্গে অবিচার।”
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বলছেন, যদি এ অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি শুধু অনিয়ম নয়—বরং বিশ্বাসভঙ্গ ও আর্থিক নিপীড়নের শামিল। দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের টাকা আটকে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এনজিওটি দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করলেও প্রয়োজনের সময় তাদের ন্যায্য পাওনা দিতে গড়িমসি করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—এই টাকার নিরাপত্তা কোথায়? কে এর জবাবদিহি করবে?
এ ঘটনায় এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগী শাকেরা বেগমকে তার সম্পূর্ণ সঞ্চয় ও মুনাফাসহ ফেরত দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গুনাগরী উদ্দীপন এনজিও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর