বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ঝিনাইগাতীতে অদম্য নারী পুরস্কার কার্যক্রমের আওতায় বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নাসরিন বেগম! বিশ্বম্ভরপুরে বাঁধ পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মতবিনিময় সভায় উন্নয়ন রূপরেখা তুলে ধরলেন সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম, বানারীপাড়ায় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার যোগসাজশে খাস জমি আত্মসাতের অভিযোগ মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে দলিল! বানারীপাড়ায় হামেদ সুফির সম্পত্তি দখলের অভিযোগ; বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাতে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ: বাইরে থেকে তালা মেরে বসতঘরে আগুন, প্রাণনাশের চেষ্টা; রাউজান প্রেস ক্লাবের সভাপতি সরোয়ার আহমেদের স্মরণসভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আগামী ৩ মার্চ ২০২৬ নদীবাংলার কবি রিপন শানের ৫১তম জন্মবার্ষিকী রিয়াদে_ বাংলাদেশী ৯৫-৯৭ এস.এস. সি,ব্যাচ সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন;

রাজনগরের ফতেপুরে কুশিয়ারা নদীর তাণ্ডব, বর্ষা এলেই আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ৩২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:মোঃ জালাল উদ্দিন

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত প্রায় দশটি গ্রামের মানুষ ভয়াবহ নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন। প্রতি বছর বর্ষা এলেই নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে এলাকাবাসীর। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই ভাঙনে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফতেপুর ইউনিয়নের শাহাপুর, বেড়কুরি, মোল্লাবাড়ি, জাহিদপুর, আব্দুল্লাহপুর, চরকারপার ও কাশিমপুরসহ অন্তত দশটি গ্রাম বর্তমানে নদীভাঙনের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক পরিবার এমন অবস্থায় পড়েছে যে, তাদের নিজস্ব কোনো থাকার জায়গা নেই; অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে ঘর তুলে দিন কাটাতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগী মিরাশ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তার কার্যকর উপস্থিতি দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এমদাদুল হক টিটু বলেন, “আমি এ সমস্যা সম্পর্কে সাবেক উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম এবং বর্তমান উপজেলা প্রশাসনকেও অবহিত করেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

অন্যদিকে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন অলিদ জানান, “ফতেপুর ইউনিয়ন ও মনমুখ ইউনিয়নসহ মোট প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় নদীভাঙন রয়েছে। আমি নিজে সরেজমিনে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি এবং একটি কাজের ড্রাফট প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছি। তবে এখনো ফান্ড না আসায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।”

এদিকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আসন্ন বর্ষায় নদীভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা অবিলম্বে নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর