মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী’র মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ শহীদ চৌধুরী বাঁশখালী মায়ের করা মামলায় ছেলে গ্রেপ্তার, জেলহাজতে প্রেরণ নিরপেক্ষতা ও সাহসের পরীক্ষায় ভোট কর্মকর্তারা, ১২ ফেব্রুয়ারিকে ঐতিহাসিক আখ্যা ডিসির বটিয়াঘাটায়উপজেলা আমির পুর ইউনিয়নে জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত, গাজীপুরে ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী বৃদ্ধ গ্রেফতার নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক নানিয়ারচর বাজার কমিটি’র নিকট পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ট্রলি প্রদান অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সকলের সহযোগিতা চান জেলা প্রশাসক সম্পর্কের টানাপোড়েনে ফেসবুক হলো প্রতিশোধের হাতিয়ার সিলেট রেঞ্জ ডিআইজির হাত থেকে সম্মাননা পেলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ

বগুড়ায় চাচার সম্পত্তি দখলে নিতে হত্যা করে দুই ভাতিজা।

রিপোর্টারের নাম / ৪৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

বগুড়ায় চাচার সম্পত্তি দখলে নিতে হত্যা করে দুই ভাতিজা।

স্টাফ রিপোর্টার,ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির হাসান।

চাচার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি দখলে নিতে দুই ভাতিজা মিলে পরিকল্পনা করে তাকে হত্যার। পরিকল্পনা মোতাবেক শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দুই ভাতিজা ধান ব্যবসায়ী হামিদুল মন্ডলকে বাড়ির পেছনে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ধান ব্যবসায়ী হামিদুল মন্ডল।

এঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. রাফিয়া বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা দুই ভাতিজা হলেন—নিহত হামিদুল মন্ডলের ভাই ফেরদৌস আলীর ছেলে রাকিবুল হাসান ওরফে সিয়াম (১৬) এবং অপর ভাই গোলাম মোস্তফার ছেলে আতিক হাসান (২১)।

শেরপুর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর সড়কের পাশে একটি জমি থেকে হামিদুল মন্ডলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জমিটি নিহতের নিজস্ব ছিল।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে সন্দেহভাজন হিসেবে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে দুই ভাতিজা। পরে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) তাদের বগুড়ার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি রশি এবং লাশ স্থানান্তরে ব্যবহৃত একটি মই উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্তে জানা যায়, হামিদুল মন্ডল তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম দুই স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বর্তমানে তৃতীয় স্ত্রী রাফিয়া খাতুন অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় নিহতের প্রায় ১০ বিঘা জমির সম্পত্তিতে ভাগ বসতে পারে- এই আশঙ্কা থেকেই ভাতিজারা চাচাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তারা হামিদুল মন্ডলকে বাড়ির পেছনে ডেকে নেয়। সেখানে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মইয়ের ওপর করে মরদেহটি পাশের জমিতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইব্রাহিম আলী জানান, হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। নিহতের জানাজা শেষে এক ভাতিজার অস্বাভাবিক আচরণ ও শরীর কাঁপতে থাকার বিষয়টি পুলিশের সন্দেহ জাগায়।

তিনি আরও জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর