বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
টেকনাফ হ্নীলার ৫২ যুবক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকার অঙ্গীকার করেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে সরকারি রাস্তা দখল, স্থাপনা নির্মাণ, জনসাধারণের চলাচলে বাধা এবং রাস্তা বন্ধের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জরুরি প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন মাননীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রিয় এলাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি গাজীপুরে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেত্রী হামলার শিকার শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবা জব্দ জনসেবায় আস্থা, তারুণ্যের প্রেরণা—পাঠাকাটায় চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার জনসেবায় আস্থা, তারুণ্যের প্রেরণা—পাঠাকাটায় চেয়ারম্যান প্রার্থী সুবাস মিয়া জনসেবায় আস্থা, তারুণ্যের প্রেরণা—পাঠাকাটায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু: ‘নেতা নয়, জনগণের সেবক হতে চাই’—উন্নত, আধুনিক ও সুশাসিত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় ফেরার কথা ছিল না পান চুরির সন্দেহে যুবককে বিদ্যুৎ শকট, দুই আঙ্গুল কর্তন ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে জমি দখলের চেষ্টা? তাড়াশে যুবদল নেতার থানায় অভিযোগ

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে সরকারি রাস্তা দখল, স্থাপনা নির্মাণ, জনসাধারণের চলাচলে বাধা এবং রাস্তা বন্ধের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জরুরি প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন মাননীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রিয় এলাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

তাড়াশ টাইমস / ৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

খোলা চিঠি

বিষয়: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে সরকারি রাস্তা দখল, স্থাপনা নির্মাণ, জনসাধারণের চলাচলে বাধা এবং রাস্তা বন্ধের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জরুরি প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন
মাননীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রিয় এলাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আমি কামাল মিয়া, পিতা—মরহুম আফতাব মিয়া, গ্রাম—দৌলতপুর, ডাকঘর—দৌলতপুর-৩১৩২, উপজেলা—বিশ্বনাথ, জেলা—সিলেট।

অত্যন্ত দুঃখ ও উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের দক্ষিণ পাশের প্রতিবেশী আব্দুল আওয়াল তাঁর চাচাতো ভাই বাবুল মিয়াকে সামনে রেখে আমাদের জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি এবং জমি দখলের অপচেষ্টা করছেন বলে আমার অভিযোগ। একই সঙ্গে বহু বছর ধরে জনসাধারণের ব্যবহৃত সরকারি রাস্তার ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে রাস্তা বন্ধ করারও চেষ্টা চলছে।
বিষয়টি নিয়ে আমি ইতোমধ্যে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছেও বিষয়টি অবহিত করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ায় ন্যায়বিচারের আশায় আমাকে আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন।
সরকারি রাস্তার দীর্ঘদিনের ব্যবহার ও জনস্বার্থ
উক্ত রাস্তা আমাদের পূর্বপুরুষসহ এলাকার মানুষ প্রায় পাঁচ-ছয় প্রজন্ম ধরে মসজিদ, হাবড়া বাজার এবং বিশ্বনাথ-সিলেট সড়কে যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করে আসছেন।
এছাড়া হাসনাজী পাড়ুয়া গ্রামের শিক্ষার্থীরাও দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তা ব্যবহার করে দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে আসছে।
অর্থাৎ, এই রাস্তা কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের ব্যক্তিগত চলাচলের পথ নয়; এটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর বহুল ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা।
সরকারি নথিতে রাস্তার নাম—
“দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা হইতে আতিক মিয়ার বাড়ির রাস্তা”।
রাস্তার আইডি নম্বর: ৬৯১২০৫২১৪।
সরকারি অর্থায়নে রাস্তার আমাদের সীমানা পর্যন্ত পাকাকরণ করা হয়েছে এবং নির্মাণকাজ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে সম্পন্ন হয়েছে বলে সরকারি তথ্য ও সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
রাস্তা পাকাকরণে তৎকালীন বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আমির আলী-এর সহযোগিতা এবং সাবেক সংসদ সদস্য জনাব ইয়াহিয়া চৌধুরী-এর অনুদানের কথাও স্থানীয়ভাবে জানা যায়।
সরকারি রাস্তার সাইনবোর্ড এবং রাস্তার আইডি নম্বরের ছবি এ আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
১৬ জুন ২০২৬: সরকারি রাস্তার ওপর প্রতিবন্ধকতা
গত ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে বাবুল মিয়া সরকারি রাস্তার ওপর পাথর ফেলে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বলে আমার অভিযোগ। এর ফলে আমরা এবং এলাকার সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচলে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।
বর্তমানে ওই রাস্তার ওপর ঘর নির্মাণের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আব্দুল আওয়াল ও বাবুল মিয়া প্রায় দুই দিন আগে নির্মাণকাজ শুরু করলে আমি বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করি। অভিযোগের পর কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ থাকলেও আজ ভোর থেকে পুনরায় অনেক লোকজন নিয়ে দ্রুতগতিতে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে বলে আমি অভিযোগ করছি।
এ অবস্থায় যেকোনো সময় রাস্তার একটি অংশ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
একটি সরকারি রাস্তা কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি হতে পারে না
সরকারি অর্থায়নে নির্মিত এবং জনসাধারণের দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত রাস্তার ওপর কোনো ব্যক্তি নিজস্ব স্থাপনা নির্মাণ করে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করে দিতে পারেন কি না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
আমি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে অভিযোগ আরোপ করতে চাই না। কিন্তু সরকারি রাস্তার অবস্থান, সরকারি নথি, রাস্তার আইডি, সাইনবোর্ড এবং দীর্ঘদিনের জনসাধারণের ব্যবহার সরেজমিনে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য নির্ধারণ করা হোক—এটাই আমার দাবি।
শুধু একটি রাস্তা নয়—দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অভিযোগ
এলাকাবাসীর কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, বাবুল মিয়া, আবুল খায়ের, আব্দুল কুদ্দুস, ফখরু মিয়া ও ফাহাদ মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিরোধ ও প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, লন্ডনপ্রবাসী মরহুম মনোহর আলী, মরহুম হাবিব উল্লাহ এবং যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মরহুম আইন উল্লাহর পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এর ফলে মরহুম হাবিব উল্লাহর প্রায় ৯০–৯৫ বছর বয়সী অসুস্থ স্ত্রী চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে জরুরি অসুস্থতার সময় সরাসরি অ্যাম্বুলেন্স বা গাড়ি বাড়ির কাছে পৌঁছাতে পারে না। বাধ্য হয়ে তাঁকে বিকল্প পথ দিয়ে বহন করে পাকা সড়কে নিয়ে তারপর গাড়িতে তুলতে হয়।
একজন প্রবীণ ও অসুস্থ মানুষের জরুরি চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রেও যদি রাস্তা ব্যবহার করা না যায়, তাহলে বিষয়টি মানবিক ও জনস্বার্থের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে অনুরোধ—বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
চাউলধনী হাওরের রাস্তা নিয়েও দীর্ঘদিনের সমস্যা
একই এলাকার চাউলধনী হাওরে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আবুল বশর (ছুপু মিয়া)-এর বাড়ির পাশ দিয়ে পঞ্চায়েত ও গ্রামবাসীর ব্যবহৃত ওই রাস্তা সংস্কারের জন্য মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়েছিল।
রাস্তার কাজ তাঁদের জমির সীমানার কাছে পৌঁছানোর পর আবুল খায়ের, আবুল বশর (ছুপু মিয়া), ফখরু মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস ও ফাহাদ মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাধার কারণে প্রায় তিন বছর ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
ফলে কৃষক, পঞ্চায়েতের সদস্য এবং হালচাষের গরু নিয়ে চলাচলকারী মানুষসহ সাধারণ জনগণ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
পশ্চিমপাড়া ও দৌলতপুর গ্রামের মানুষ চাউলধনী হাওর ও ছিক্কারটেকে যাতায়াতের জন্য এই রাস্তার ওপর নির্ভরশীল।
প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তা নির্মাণে গ্রামের মানুষ স্বেচ্ছায় জমি ও মাটি দিয়েছেন বলেও স্থানীয়দের বক্তব্য রয়েছে। কিন্তু একটি অংশের জমি নিয়ে বিরোধের কারণে রাস্তার নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ রয়েছে।
বিশেষ করে বর্ষাকালে এই এলাকার মানুষের চলাচল অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে নৌকাই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায়।
জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন
বিষয়টি সমাধানের জন্য আমি স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করেছি।
বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব গৌছ আলী সাহেব আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে বসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলে আমি জানি। কিন্তু সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি বলে আমার অভিযোগ।
এছাড়া দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছেও আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সরেজমিনে রাস্তার প্রতিবন্ধকতা দেখতে আসেননি—এমন অভিযোগও আমার রয়েছে।
আমার প্রশ্ন অত্যন্ত সরল—
একটি সরকারি রাস্তা নিয়ে যখন জনসাধারণের চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তখন সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন কি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রকৃত অবস্থা দেখতে পারেন না?
উল্লেখ্য, দৌলতপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব আরব খান সাহেব অতীতে বহুবার এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেছেন বলে স্থানীয়রা জানেন। ফলে রাস্তাটির দীর্ঘদিনের ব্যবহার সম্পর্কে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও অবগত থাকার কথা।
সীমানা বিরোধের বিষয়েও নিরপেক্ষ তদন্ত চাই
আমাদের জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে উভয় পক্ষের সম্মতিতে আটজন সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে আমার বক্তব্য।
সেই সময় বাবুল মিয়া সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে আব্দুল আওয়ালের প্ররোচনায় বিষয়টি আবার জটিল হয়ে পড়ে বলে আমার অভিযোগ।
এ নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা করা হয়েছে, যেগুলোকে আমি হয়রানিমূলক ও ভিত্তিহীন বলে মনে করি। যেহেতু বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন, তাই আদালতের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে আমি কোনো বিচারাধীন বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করতে চাই না।
আমি শুধু চাই—সরকারি রাস্তা ও জমির সীমানা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে পরিমাপ, নথি যাচাই এবং সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হোক।
প্রশাসনের কাছে আমার বিনীত আবেদন
আমি একজন আইন মেনে চলা নাগরিক। রাষ্ট্রের আইন, প্রশাসন এবং বিচারব্যবস্থার প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে।
আমি কারও সঙ্গে সংঘাতে যেতে চাই না। আমি চাই না একটি রাস্তার বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হোক।
তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ—
১. সরকারি রাস্তার বর্তমান অবস্থান ও সীমানা সরকারি নথি অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সরেজমিনে যাচাই করা হোক।
২. তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি রাস্তার ওপর নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পরিস্থিতি জটিল করার সুযোগ বন্ধ করা হোক।
৩. রাস্তার ওপর ফেলা পাথর, নির্মাণসামগ্রী বা অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যদি তদন্তে সেগুলো সরকারি রাস্তার ওপর রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়।
৪. সরকারি রাস্তা দখল বা অবৈধভাবে বন্ধ করার অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৫. দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ বা অসম্পূর্ণ থাকা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট রাস্তার বিষয়গুলোও পৃথকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৬. উভয় পক্ষের জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ থাকলে নিরপেক্ষ সরকারি জরিপের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হোক।
৭. কোনো পক্ষ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে এবং রাস্তা বন্ধ বা দখলকে কেন্দ্র করে কোনো সংঘাত সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
৮. সর্বোপরি, আদালতে বিচারাধীন বিষয়গুলো আদালতের ওপর ছেড়ে দিয়ে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে যে ব্যবস্থা নেওয়া আইনসঙ্গত, তা দ্রুত গ্রহণ করা হোক।
শেষ কথা
আমি কারও জমি দখল করতে চাই না, কারও অধিকারও হরণ করতে চাই না।
আমার একমাত্র দাবি—সরকারি রাস্তা সরকারি থাকুক, জনসাধারণের রাস্তা জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকুক এবং জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইন ও নিরপেক্ষ জরিপের মাধ্যমে সমাধান করা হোক।
একটি রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলে শুধু একটি পরিবার নয়—শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী, বৃদ্ধ, নারী, শিশু এবং সাধারণ পথচারী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হন।
তাই সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং সচেতন এলাকাবাসীর প্রতি আমার আকুল আবেদন—
দয়া করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখুন। সরেজমিনে তদন্ত করুন। সরকারি রাস্তার প্রকৃত অবস্থান যাচাই করুন। জনসাধারণের চলাচলের অধিকার রক্ষা করুন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
আমি বিশ্বাস করি, আলোচনার পথ খোলা রেখে এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এই বিরোধের শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সংগত সমাধান সম্ভব।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকার তৌফিক দান করুন।
আমিন। 🤲
বিনীত নিবেদক,
কামাল মিয়া
পিতা: মরহুম আফতাব মিয়া
গ্রাম: দৌলতপুর
ডাকঘর: দৌলতপুর–৩১৩২
উপজেলা: বিশ্বনাথ
জেলা: সিলেট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর