শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ইসরা ও মেরাজের স্মৃতিতে ইবাদতে মুখর মুসলিম বিশ্ব ‎সুনামগঞ্জ শহরে  অজ্ঞাত ব্যাক্তির গলিত দু*র্গন্ধ  মরাদেহ নিজ হাতে উদ্ধার করলেন ওসি রতন সেখ (পিপিএম) জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর বটিয়াঘাটায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, ‎সুনামগঞ্জ পৌর শহরের কালিপুর গ্রামে পুলিশের অভিযানে ১৮ বোতল ভারতীয় মদসহ- ১জন গ্রেফতার বাঁশখালীতে সেনাবাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পলাতক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাঁশখালীতে কঠোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা দিনাজপুর-৪ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আক্তারুজ্জামান মিয়া ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের বিজয় অপরিহার্য: গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ- রাউজানে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়াস কাদের চৌধুরী যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: ব্রিটিশ এমপি বব ব্ল্যাকম্যান

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি দ্রুত বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১৯৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪

যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ফের দ্রুত বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্টে ৩৪ সে.মি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, পানি বাড়ায় যমুনার চরাঞ্চল ও অরক্ষিত অঞ্চলে তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনরোধে কয়েকটি পয়েন্টে জিওব্যাগ ফেললেও নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না। ফলে কাঁচা-পাকা বসতভিটা, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান, ফসলী জমি বিলীন হয়ে ভাঙ্গন কবলিতরা নি:স্ব হয়ে পড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষাবাঁধ হার্ড পয়েন্টে পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১২.০২ মিটার। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৪ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৮৮ সে.মি নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপদসীমা-১২.৯০ মিটার।

অন্যদিকে কাজিপুর উপজেলায় মেঘাই পয়েন্টে সকালে পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৭০ মিটার। গত ২৪ ঘন্টায় ৪০ সে.মি পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১১০ সেমি নীচ প্রবাহিত হচ্ছে। বিপদসীমা ১৪.৮০ মিটার। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে কৃষকের শাক-সবজি, তিল ও পাটক্ষেত তলিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, পানি বৃদ্ধির ফলে শাহজাদপুর উপজেলার পাচিল, আড়কান্দি, জালালপুর, সদর উপজেলার চরাঞ্চল কাওয়াকোলা ও কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ীর বিভিন্ন পয়েন্টে ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে প্রতিদিন কাচাপাকা স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙ্গন কবলিতরা ঘরবাড়ী ভেঙ্গে স্তুপ রেখে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। ভাঙ্গন কবলিতরা কষ্টে থাকলেও প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কেউ ভাঙ্গন কবলিতদের পাশে দাঁড়ায়নি। অন্যদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ড কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙ্গনরোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেললেও ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না। ভাঙ্গন কবলিতদের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতির কারনেই ভাঙ্গনরোধে কাজ হচ্ছে না। এ কারনে মানুষকে সবকিছু হারিয়ে নি:স্ব হতে হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, কয়েকটি পয়েন্টে ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনরোধে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলে নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করা হচেছ। কিন্তু করালগ্রাসী যমুনার ভাঙ্গনরোধ দ্রুত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর