বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আশীষ কুমার চক্রবর্তী শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিক এহসান বিন মুজাহিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত লাকসাম পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে রাফসানুল ইসলামের প্রার্থীতা ঘোষণা নম্বর ওয়ার্ডে ফারুক হোসেন খানের ব্যাপক গণসংযোগ। বাঁশখালীতে এলপিজির অতিরিক্ত দাম আদায়: মোবাইল কোর্টে ডিলারকে জরিমানা। ঠাকুরগাঁওয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মুন্সীবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী সৈয়দ এনামুল হক। মধ্যনগরে বাঁধের মাটি চাপায় যুবকের এক মৃত্যু ‎সুনামগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি ফসল তলিয়ে যাওয়ায় ডিসি ইলিয়াস মিয়াকে কুকুরের বাচ্চা বলে আখ্যা দিলেন কৃষকেরা জগন্নাথপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী জননেতা সফিক শাহ এর পৃষ্ঠপোষকতায় ক্লাসিক চেস ক্লাবের সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত

বেলকুচিতে এমপির এপিএস বাহিনীর মারধরে পৌর মেয়র আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২৮৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মন্ডলের ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) সেলিম সরকার ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফের নেতৃত্বে হামলা ও মারধরে পৌর মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজা ও স্থানীয় এক সাংবাদিকসহ আরো ৪জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার আলহাজ্ব সিদ্দিকী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

বেলকুচি পৌরসভার মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজা জানান, বেলকুচি আলহাজ্ব সিদ্দিকী উচ্চ বিদ্যালয়ে রাজশাহী থেকে অডিট এসেছিল। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে তিনিও সেখানে গিয়েছিলেন। দুপুর ২টার দিকে তিন বছর বয়সী ছোট ছেলেকে কোলে নিয়ে একটি মোটরসাইকেলে স্কুল থেকে বের হচ্ছিলেন তিনি। গেটে পৌছার আগেই এমপির এপিএস সেলিম আহমেদ পিস্তল ঠেকিয়ে তাঁর গতিরোধ করে। এরপরই সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী, কাউন্সিলর শিপন ও হাফিজুলের নেতৃত্বে ৫০/৬০জনের একদল ঘটনাস্থলে পৌছে মারধর শুরু করে।

মেয়র আরো বলেন, মারধরে তাঁর চোখের বামপাশে ফেটে যায় এবং তার সাথে থাকা নাবিল ও সাব্বির নামে আরো দুইজন আহত হন। এ ঘটনার ছবি তুলতে গেলে মুসা নামে স্থানীয় এক সাংবাদিককেও মারধর করা হয়। বিষয়টি তাৎক্ষনিক পুলিশকে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক পুর্ব শত্রুতার জেরধরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবী করেন পৌর মেয়র।

এ বিষয়ে এমপির এপিএস সেলিম সরকার হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অভিযোগ ওঠায় রাজশাহী থেকে তদন্ত টিম এসেছিল। ওই সময় স্কুলের অভিভাবকরা লিখিতভাবে তাদের মতামত তদন্ত কমিটির কাছে দেন। লিখিত মতামত মেয়রের বিরুদ্ধে যাওয়ায় মেয়র ও তার সাথে থাকা লোকজনের সাথে স্কুলের অভিভাবকসহ আশপাশের লোকজনের সাথে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। ঘটনার সাথে আমি বা আমার কোন লোকজন জড়িত নই।

বেলকুচি থানার ওসি আনিসুর রহমান জানান, এমপির এপিএস সেলিম ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী এবং পৌর মেয়র রেজার মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মারধরে পৌর মেয়র রেজা আহত হলেও তিনি থানায় কোন লিখিত অভিযোগ দেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর