সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বিএনপি নেতার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ করায় মানবাধিকার নেতাকে হত্যা ও গুমের হুমকির অভিযোগ কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার নিশ্চিত করতে শেরপুরে সার ডিলারদের কার্যক্রম পরিদর্শন লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ উদযাপনের ঘোষণা: দল-মতের ঊর্ধ্বে চট্টগ্রামবাসীর ঐক্যের আহ্বান জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নির্বাহী পরিষদের বর্ধিত সভায় সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব, প্রশিক্ষণ ও গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রিয়াদে আঞ্জুমানে খোদ্দামুল মোসলেমিন রিয়াদ কেন্দ্রীয় পরিষদের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন; গাছুয়া আব্দুল কাদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মামুন হোসেন গাছুয়া আবদুল কাদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মামুন হোসেন  নকলা উপজেলার ৬ নং ইউনিয়নের কাদামাখা রাস্তা ভরাট করে জনদুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে এলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু যুক্তরাজ্যের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত শ্রীবরদীর রাকিবুল ইসলাম রিয়াদ: মেধা ও মানবসেবার প্রত্যয়ে আইন পেশায় উজ্জ্বল পথচলা

যেভাবে মহানবী (স.) কোরবানির মাংস বণ্টন করতেন

রিপোর্টারের নাম / ২৭৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪

ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম উৎসব ও ইবাদত। সামর্থ্যবান পুরুষ-নারীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব। এটি ইসলামের মৌলিক ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।

আদম (আ.) থেকে শুরু করে সব নবীর যুগেই কোরবানি পালিত হয়েছে। এটি ‘শাআইরে ইসলাম’ তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং এর মাধ্যমে ‘শাআইরে ইসলামের’ বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ ছাড়া গরিব-দুখী ও পাড়া-প্রতিবেশীর আপ্যায়নের ব্যবস্থা হয়।

এক হাদিসে তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করবে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ হাদিস : ২/৩২১)

আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কুরবানি করা পশুর মাংস ভাগ করার একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোরবানির পশুর গোশত ভাগ করার নিয়মও বলে দিয়েছেন।

রাসুল সা. কোরবানির গোশত তিনভাগে বণ্টন করতেন। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোরবানির গোশত একভাগ নিজের পরিবারকে খাওয়াতেন, একভাগ গরিব প্রতিবেশীদের দিতেন এবং একভাগ গরিব-মিসকিনদের দিতেন।

এ ছাড়া ইবন মাসঊদ রা. কোরবানির গোশত তিনভাগ করে একভাগ নিজেরা খেতেন, একভাগ যাকে চাইতেন তাকে খাওয়াতেন এবং একভাগ ফকির-মিসকিনকে দিতেন বলে উল্লেখ রয়েছে।

কোরবানির মাংস আত্মীয় ও গরিবদের মাঝে বিতরণ না করাটা খুবই গর্হিত কাজ। এতে কৃপণতা প্রকাশ পায়। কারণ কুরবানির মাধ্যমে কোরবানিদাতা অহংকার থেকে নিরাপদ থাকেন এবং তার অন্তর পরিশুদ্ধ থাকে।

আল্লাহ তাআলাও এটাই চান, বলেছেনও তাই- (মনে রেখো, কোরবানির জন্তুর) গোশত অথবা রক্ত আল্লাহর কাছে কখনই পৌঁছে না; বরং তার কাছে কেবলমাত্র তোমাদের তাকওয়াই পৌঁছে। (সুরা হজ : ৩৭)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর