বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
“স্মরণকালের জনসভা, দুই দশকের অপেক্ষা শেষ: তারেক রহমান ফিরছেন মৌলভীবাজারে” বগুড়ায় চাচার সম্পত্তি দখলে নিতে হত্যা করে দুই ভাতিজা। বড়াইগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত!! ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মরহুম আব্দুল আলী ফোরকানিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সোনা মিয়া হত্যা মামলার ৬ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বাঁশখালীর বাঁশখালাতে হযরত শাহ বোঁচা ফকির (রহঃ) এর ফাতেহা শরীফ উপলক্ষে আজিমুশশান মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল সম্পন্ন ঝিনাইগাতীতে তীব্র শীতে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে  কম্বল বিতরণ করেন ইউএনও ডিবি তদন্তেও দমে নেই সোহরাব বাহিনী: নাটোরে পঙ্গু শ্রমিকের জমি দখল করে সেই টাকায় মামলা লড়ছে ভূমিদস্যুরা রাজনগরের ফতেপুরে কুশিয়ারা নদীর তাণ্ডব, বর্ষা এলেই আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর শেরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাহেন্দ্রগাড়ী ও ১চালক আটক, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা 

কুড়িগ্রামে ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি রক্ষায় সেচ্ছাশ্রমে ভাঙন রোধের চেষ্টা গ্রামবাসীর 

রিপোর্টারের নাম / ১৩৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ভাঙন রোধে সরকারি কোন উদ্যোগ না থাকায় নিজ উদ্যোগে প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন গ্রামবাসী। তাদের অভিযোগ বার বার সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোন সারা পাননি তারা। এ অবস্থায় নিজেদের চাঁদার টাকায় প্লাস্টিকের বস্তুা কিনে বালু ভরিয়ে সেচ্ছাশ্রমে ভাঙন রোধের চেষ্টা কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমারের শাখা কালজানি নদী পাড়ের বাসিন্দাদের। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, কেউ প্লাস্টিকের বস্তুায় ভরছেন বালু, কেউ ফেলছেন নদীর পাড়ে। এভাবে ঘর বাড়ি ও ফসলি জমি রক্ষার চেষ্টা ভাঙন কবলিতদের। গত ৪ মাস ধরে দুধকুমার নদের অব্যাহত ভাঙন চলছে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্তবর্তী শিলখুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ ধলডাঙ্গা গ্রামে। এরই মধ্যে বিলীন হয়েছে তিন শতাধিক ঘর বাড়িসহ একরের পর একর ফসলি জমি। এ অবস্থায় ভাঙন কবলিতরা জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডে বার বার যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি তারা। পরে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে নিজেদের অর্থ দিয়ে সেচ্ছাশ্রমে ভাঙন রোধ করে সম্পদ রক্ষার চেষ্টা তাদের।

স্থানীয়দের দাবি তাদের এ চেষ্টার পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামান্য সহযোগিতা পেলে বন্ধ হবে ভাঙন। আর এতেই রক্ষা পাবে ফসিল জমিসহ ঘর বাড়ি। 

উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ ধলডাঙ্গা এলাকার মনছেদ আলী বলেন, আমাদের এরাকার ভাঙন রোধে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আমরা কাজ করছি। গ্রামবাসীর কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্লাস্টিকের বস্তুা কিনে বালু ভরে নদীতে ফেলছি। তার পরেও ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না।

ভুরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান একেএম ফরিদুল হক বলেন, এই এলাকার দুধকুমার নদ গত ২-৩ মাস ধরে অব্যাহত ভাঙছে। প্রায় ৩শ উপর বাড়ি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। কয়েকশো হেক্টর ফসিল জমি ফসলসহ নদে চলে গেছে। ভাঙন রোধ করা না হলে তিনটা ক্যাম্প আছে এখানে বিদ্যুৎ আছে সবকিছু ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এখানকার কেটে খাওয়া সীমান্তবাসীর জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান শিলখুড়ি এলাকায় দুধকুমারের ভাঙনসহ অন্যান্য নদ নদীতেও ভাঙনের কথা স্বীকার করে জানান, বরাদ্দ কিংবা অনুমতি না থাকায় ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না তারা। সার্বিকভাবে কৃষি জমি ও সামান্য বাড়ি ঘরের জন্য কাজ করার অনুমতি পাচ্ছেন না। সরকারি কোন স্থাপনা হলে কিছুটা কাজের অনুমতি পান বলে জানান তিনি।

জেলায় গত চার মাসে দুধকুমারসহ ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তার ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়েছে সহস্রাধিক পরিবার। ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নিবে সরকার এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর