রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন: আগুন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন! ভুরুঙ্গামারীতে মানব সমাজ কল্যাণ ক্লাব’র আর্থিক সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদান শ্রীমঙ্গলে আব্দুল খালেকের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল—দোয়া কামনায় মিলিত সর্বস্তরের মানুষ; রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সাবেক সদস্য জনাব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত;

প্রেমের টানে তুরস্ক থেকে সিরাজগঞ্জে এলেন যুবক।

রিপোর্টারের নাম / ১৪১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কথায় আছে, প্রেম মানে না কোনো বাধা। আর সেই কথাটিই একেবারে প্রমাণ করলেন তুরস্কের যুবক মুস্তফা ফাইক। ৪,৫০০ কিলোমিটার দূরত্ব পেরিয়ে বাংলাদেশে এসে তিনি বিয়ে করলেন ৩ বছরের প্রেমিকার সাথে। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের কাকিলামারি গ্রামের মল্লিকা এবং তুরস্কের মুস্তফার প্রেমের গল্প এখন এলাকার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মল্লিকা, শাহজাদপুরের দলিল লেখক কামরুজ্জামান মানিকের কন্যা। তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তার একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেই ছবিটি দেখে মুগ্ধ হন তুরস্কের যুবক মুস্তফা ফাইক। এর পর শুরু হয় তাদের মেলামেশা, এবং এক সময় তা পরিণত হয় গভীর প্রেমে। দীর্ঘ ৩ বছরের সম্পর্কের পর, একদিন হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে মুস্তফা পৌঁছান বাংলাদেশে। এরপর দুই পরিবারের সম্মতিতে গত সোমবার রাতে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিয়ের পর, মল্লিকা ও মুস্তফা উভয়ই খুশি। মল্লিকা জানান, তিন বছরের সম্পর্ক অবশেষে বিয়ে হিসেবে পরিণতি পেয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ভিসা প্রক্রিয়া শেষ হলেই তারা তুরস্কে পাড়ি দেবেন বলে জানান তারা।

এদিকে, মল্লিকার পরিবার এবং স্বজনেরা এই বিয়ে মেনে নিয়ে খুশি। মল্লিকার মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের ভালোবাসা ও সমর্থন জানিয়েছেন। 

এলাকার বাসিন্দারা এ সুখবর শুনে মল্লিকার বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন। বিদেশি জামাই পেয়ে পুরো গ্রামটি আনন্দিত এবং আত্মহারা। এলাকার মানুষ মনে করছেন, এই বিয়ে শুধুমাত্র মল্লিকার নয়, পুরো এলাকার জন্য একটি গর্বের বিষয়। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর