শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবু সায়েম   এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারে মতবিনিময় সভা ও আহ্বায়ক ক‌মি‌টি গঠন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা পরিদর্শনে সিলেট-২ এর সাংসদ তাহসিনা রুশদীর লুনা সরকারের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে : এমপি লুনা তাহিরপুরে ৪২ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা, মোটরসাইকেলসহ ১জন আটক। জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু  ১৪ দফা দাবিতে গাজীপুরে বিএমএসএফের র‍্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে মাইজভান্ডারি গবেষক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খাঁন আজহারীর ইন্তেকাল চরবাড়ুকা, বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীর সুজন হামিদ বিসিএস ক্যাডার!

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : / ৬০৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি :

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত সীমান্তবর্তী শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রত্যন্ত সীমানায় জন্ম সুজন হামিদ তাওয়াকুচা গ্রামের নিম্নবিত্ত পরিবারে ৭ মে ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
যাত্রাটা ছিল বিভিন্ন প্রতিকূলতাকে অতিক্রমের ধারাবাহিক ইতিহাস। পথটা ছিল ভয়ঙ্কর জটিল এবং দুরতিক্রম্য।


গারো পাহাড়ের হৃদয় ছুঁয়ে বয়ে চলা সোমেস্বরীর কুলুকুলু ধ্বনি শৈশবকে করেছিল বহুবর্ণে বর্ণিল ও বিচিত্র ছন্দময়।

তাওয়াকুচা গ্রামের জনৈক আবদুল ওয়াহাব মাস্টার এর সহযোগিতায় ব্র্যাক স্কুলে অক্ষরচেনা। এরপর জীবিকার তাগিদে শহরে ছুটে চলা সপরিবারে। তারপর এক দীর্ঘ ভ্রমণের উপাখ্যান।

ঢাকার অদূরে শহরতলীর একটি এলাকা দক্ষিণখান। সুজন হামিদ ঢাকা দক্ষিণখান একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন।

সুজন হামিদ ছোট থেকেই অনেক মেধাবী ছাত্র ছিলেন।
তিনি উত্তরখান হাই স্কুল থেকে ২০০৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.২৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। এরপর ঢাকার নটরডেম কলেজে চান্স হলেও পড়া হয়নি। আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে ২০০৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৬০ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন ।

এবং ২০০৫-০৬ সেশনে বাংলাদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যে ভর্তি হন।
২০০৯ সালে স্নাতক ও ২০১০ সালে স্নাতকোত্তর সম্পূর্ণ করেন।
এবং ২০১৮ সালে হুমায়ূন আহমেদের ছোটগল্পের ওপর এম.ফিল. ডিগ্রি অর্জন।

সুজন হামিদ কর্মজীবনে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, শহিদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ ও ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তিনি রাত দিন পরিশ্রম করে অবশেষে ২০১৬ সালে ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে
নিজ জেলার শ্রীবরদী সরকারি কলেজে যোগদান করেন। সুজন হামিদ বর্তমানে শ্রীবরদী সরকারি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এছাড়াও তিনি শিল্প-সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকেই ঢাকার নাট্যদল ‘থিয়েটার মহলা’য় যোগদেন। এরপর নিজের গড়া ‘নাট্যরথ’ এ নাটক লেখা, অভিনয় ও নির্দেশনা। কৈশোরে গড়ে তোলা ‘অঙ্কুর’ ছিল প্রথম প্রাণের স্পন্দন।

তিনি বলেন: রাজধানীর দীর্ঘ তেইশ বছরের ইতিহাস সমাপ্ত করে এখন বাস করছি জেলাশহরের একটি কুটিরে। তিনপুত্র – বর্ণ, বর্ষ, পূর্ণকে নিয়ে আমার প্রাণময় পৃথিবী। মানুষের জন্য কিছু করতে চাওয়ার ব্যাকুলতা আছে। না পারার বেদনাও গ্রাস করে। তবু এর শেষ দেখতে চাই। আমি বিশ্বাস করি মানুষের জয় হবেই, মানুষ একবার না একবার জিতবেই!

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সুজন হামিদ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এর সাথে কাজ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর