মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
সুনামগঞ্জে হোটেল ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা দাবি: তদন্তে পিবিআইকে আদালতের নির্দেশ শ্রীমঙ্গলে শাহ মোস্তফা জামেয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘অমর একুশে’ পালিত তাহিরপুরে চুরির অভিযোগে যুবক আটক, পুলিশে সোপর্দ হাওর রক্ষায় অবহেলা বরদাস্ত নয়: সুনামগঞ্জ-১ এর এমপি কাশেমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২: শাস্তির গণ্ডি পেরিয়ে মানবিক পরিবর্তনের এক অনন্য প্রশিক্ষণশালা ঝিনাইগাতীতে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বাজার মনিটরিং করেন ইউএনও! তাহিরপুরে আর্থিক অনিয়মে চুনাপাথর খনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে’র অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত নজরুল ইসলাম মন্জুকে কেসিসির প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন কোনো অনিয়ম সহ্য করবো না,তা আমি কথায় নয় কাজে প্রমান দিবো সুনামগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদে ঢুকে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

সুনামগঞ্জে হোটেল ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা দাবি: তদন্তে পিবিআইকে আদালতের নির্দেশ

সহকারী বার্তা সম্পাদক শেখ মাহফুজুল হক সানি / ১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক হোটেল ব্যবসায়ীর কাছে সাংবাদিক পরিচয়ে ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জগন্নাথপুর আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন—আব্দুল ওয়াহিদ ওরফে ব্যাটারী মোল্লা (৫০), হিবজুর রহমান তালুকদার জিয়া (৪০) এবং রিয়াজ রহমান (৪০)। তারা জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন।

মামলার বাদী ‘সানলাইট আবাসিক হোটেল’-এর মালিক মো. মনির মিয়া অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি সকালে আসামিরা তার হোটেলে প্রবেশ করে দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটি সরকারি খাস জায়গায় নির্মিত হয়েছে। তারা আরও বলেন, তাদের টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদ প্রচার করা হলে প্রশাসন হোটেলটি উচ্ছেদ করবে। এ ভয় দেখিয়ে তারা ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ফেসবুকে হোটেলটি নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর লেখালেখি শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামিরা পুনরায় হোটেলে গিয়ে একই দাবিতে চাপ সৃষ্টি করেন এবং গালিগালাজসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ক্ষতির হুমকি দেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ করলে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

বাদী আরও জানান, এর আগেও এক আসামির বিরুদ্ধে একই ধরনের চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছিল, যা তদন্তে প্রমাণিত হয়। থানায় প্রতিকার না পেয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর