চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন সেনাউল ইসলাম। তিনি শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত। সোনামসজিদ স্থলবন্দরের শ্রমিক লীগের সমন্বয় কমিটির সভাপতি তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি একজন জনপ্রতিনিধিও; আরো খবর..
অতিমাত্রার ঢিলেঢালায় দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা যেন মুখ থুবড়েই পড়ে থাকলো। এক মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেল অথচ পুলিশ কোমড় তুলে দাঁড়াতেই পারছে না। দাঁড়ানোর সুযোগ দেখাও যাচ্ছে না। সকল পর্যায়ে
কথা বলতে হয় হিসেব করে। কারণ সহজ কথাটি সকলের কাছে সহজ নাও হতে পারে। সরল উদ্দেশ্যটা অনেকের কাছে জটিল মনে হইতেই পারে। আর এ থেকে লেগে যেতে পারে দাঙ্গা, হাঙ্গামা,
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি-দাওয়ার যেন শেষ নেই। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে জানানো হচ্ছে নানা ধরনের দাবি। দাবি দাওয়া নিয়ে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সচিবালয়ের
দেশের মিডিয়া সেক্টরে দালালি, প্রতিরোধ, পাল্টা দালালি আর পা চাটা গোলামদের নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। সেই ফাঁকে শিক্ষার্থীরা এবার সাংবাদিকতাকেও সংস্কার করতে চায়! তারা চোখ রাঙানি, হুমকি ধমকি দিয়ে সাংবাদিকদের
মাঝে মাঝে কিছু সফল কাজের জন্য আলাদা রকমের সুখবোধ হয়, নিজেই নিজেকে ধন্যবাদ জানাই। ক্যাসিনো কাণ্ড, মেজর সিনহা হত্যা, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুম, সাগর রুনি খুন রহস্য, দেশের
পাপীদের শাস্তির পরই বাংলাদেশ হয়ে উঠুক সবার জন্য ভালোবাসার। লুটেরাদের আয়েশ কেড়ে নিন, অধিকার হরণকারীরা স্বাধীনতার স্বাদ পরে পেলেও চলবে। কারণ, জেলবন্দী, নজরবন্দি, লুটেরা- অপরাধীদের সব স্বাধীনতা দিলে রাষ্ট্রের জন্য
আমি সব দেখে শুনে বুঝেই বলছি- দেশে সাংবাদিকতার ছিটেফোটাও আর অবশিষ্ট থাকছে না। সাংবাদিকতার নামে কেবল দালালি আর ভুয়াবাজি চলছে। চলছে সরকারি ও বিরোধী দলের ঘনিষ্ঠ থেকে ঘনিষ্ঠতর দালাল হওয়ার