মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অপসংস্কৃতি ও দারিদ্র্য বিমোচনে যা ভূমিকা রাখবে; চট্টগ্রামে মানবিক ফাউন্ডেশন #হাসির# এক যুগ পূর্তি উদযাপন; টাংগুয়ার হাওর বেড়াতে এসে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার  মৌলভীবাজার এর কাবিদ রহমান বৃটেনের পনট্রিপিড শহরের মেয়র নির্বাচিত নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ স্পেন কাতালোনিয়া বিএনপির (আংশিক) কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন তরুণ নেতা লায়েবুর রহমান ভুরুঙ্গামারী থেকে রংপুর মেইল বাস সার্ভিস চালু রাখার দাবিতে মানববন্ধন কোরবানি ঈদে পশুর চামড়া শিল্প রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন আঞ্জুমানে আহমদিয়া ট্রাস্ট; *ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা বাণী** দিনাজপুরে এসএসএস-এর পক্ষ থেকে অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার জন্য সদস্যকে আর্থিক অনুদান প্রদান

বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অপসংস্কৃতি ও দারিদ্র্য বিমোচনে যা ভূমিকা রাখবে;

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ১৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

#মাননীয় প্রধানমন্ত্রী# #শিক্ষামন্ত্রী#শিক্ষাঅধিদপ্তর#

#শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড#
তবে হাতে কলমে শিল্প কারিকুলাম চর্চায় শিক্ষা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করনে জাতির কল্যাণ বয়ে আসবে নিশ্চিত আশা করা যাচ্ছে।

#প্রাথমিক পর্যায়ে_
ধর্মীয় মূল্যবোধে নৈতিক শিক্ষা অতীব জরুরি ভিত্তিতে দেখা দিচ্ছে। তাতে অপসংস্কৃতির চর্চায় মনোনিবেশ থেকে কিছুটা হলেও বুদ্ধিমত্তা সক্রিয় সত্য-মিথ্যা নিরসনে সঠিক পথ পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

#মাধ্যমিক পর্যায়ে_
কারিগরি শিক্ষা হলো এমন একটি বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা, যার মাধ্যমে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে বিভিন্ন কাজ, প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি পরিচালনার দক্ষতা অর্জন করা যায়। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে ও আধুনিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই।নিম্নে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

১.বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি:সাধারণ শিক্ষার পর যেখানে চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়, সেখানে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিতদের সহজে চাকরি মেলে। এই শিক্ষার মূল মন্ত্রই হলো—“কারিগরি শিক্ষা নিলে, বিশ্বজুড়ে কর্ম মিলে।”
এটি শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরি খোঁজার যোগ্যই করে না, বরং নিজের চেষ্টায় নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতেও সহায়তা করে।

২.আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন:কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে কেউ বেকার বসে থাকে না। ওয়েল্ডিং, প্লাম্বিং, ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার মেরামত থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেডে দক্ষতা অর্জন করে সহজেই নিজস্ব ওয়ার্কশপ, ল্যাব বা ছোট কারখানা গড়ে তোলা যায়। ফলে তারা নিজেরাই একেকজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠেন।

৩.দক্ষ জনশক্তি তৈরি:একটি দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো দক্ষ জনশক্তি। উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, তাদের কারিগরি শিক্ষার ভিত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী। কারিগরি শিক্ষা আমাদের সাধারণ শ্রমিকদের দক্ষ শ্রমিকে রূপান্তর করে, যা শিল্প ও প্রযুক্তির বিকাশে অপরিহার্য।

৪.উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি:কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত কর্মীরা কলকারখানায় আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন। এতে অপচয় রোধ হয়, কাজের গতি বাড়ে এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

৫.উন্নত জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি:আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তিরা কর্মক্ষেত্রে উচ্চ আয়ের সুযোগ পান। এটি একদিকে যেমন ব্যক্তির নিজস্ব জীবনযাত্রার মান উন্নত করে, অন্যদিকে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও জিডিপি (GDP) বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে।

৬.দারিদ্র্য বিমোচন:সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করতে কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত কার্যকরী।
দরিদ্র ও শিক্ষাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অল্প সময়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

বহির্বিশ্বে আজ আমরা শ্রমজীবী হিসেবে মেহনত করে যাচ্ছি, কিন্তু আমরা অদক্ষতার কারণে পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নমানের বেতন কাঠামোতে দেখা হয়।

বর্তমান যুগ হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। তাই কেবল পুঁথিগত বিদ্যার ওপর নির্ভর না করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া সময়ের প্রধান দাবি। দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

ছাদেক আহমাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,

বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরাম,

সৌদিআরব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর