বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বাকেরগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৮ জন আটক, ৫ লাখ টাকা জরিমানা জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। সিংগাবরুনা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ রানা তাতিহাটি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদুর রহমান ফারুক তাতিহাতি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদুর রহমান ফারুক বকশীগঞ্জে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে, ইউএনও মুরাদ হোসেন। রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন: অপপ্রচার ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি উত্তরবঙ্গে জনগণের দাবি আদায়ে ২ ঘন্টার প্রতীকী অবরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আওয়ামী লীগের দাবি সংশ্লিষ্ট পোস্টারিং কর্মসূচি তেরখাদা ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মোস্তফা ভুট্টোর ১৫ দফা অঙ্গীকার দেশবন্ধু এম ইলিয়াস আলী ও সাইফুল ইসলাম হিরু : এক যুগ পেরিয়েও সন্ধান নেই, সমগ্র সিলেট বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ – ওসমানীনগর ও সমগ্র কুমিল্লা লাকসামের মানুষের প্রশ্ন—কবে ফিরবেন দুই সাবেক এমপি ? Deshbandhu M. Elias Ali MP & Saiful Islam Hiru MP : Still Missing After More Than a Decade…The Question of the People of Greater Sylhet, Bishwanath–Balaganj–Osmaninagar and Greater Cumilla-Laksam : When Will the Two Former MPs Return ?

বিএনপির সঙ্গে দ্বন্দ্ব মেটানোর প্রস্তাব জয়ের, যা বললেন মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক: / ২১৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের রাজনীতিতে বেশ পরিবর্তন হয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই অবস্থায় বিএনপির সঙ্গে অতীতের যাবতীয় দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফেলতে সজীব ওয়াজেদ জয় একটি আহ্বান রাখেন। এ বিষয়ে বিএনপির অবস্থান জানাতে সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমে কথা বলেছেন।


মির্জা ফখরুল বলেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। সরকার পতনের পর চেয়ারপারসনও বলেছেন- আমরা প্রতিশোধ, প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চাই না। আমরা সৌহার্দ্য, ভালোবাসা এবং সুসম্পর্কের রাজনীতি করতে চাই। কিন্তু একই সময়ে জনগণের কাছে জবাবদিহি একটা বড় বিষয়। আমরা যে কাজগুলো করেছি জনগণ তো তার জন্য আমাদের বিচার করবে। আজকে আওয়ামী লীগকে তার গত ১৫ বছরের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতিকে কীভাবে তারা ধ্বংস করেছে, তার জন্য তাকে তো জবাবদিহি করতে হবে। তারা জবাবদিহি করে গণতান্ত্রিকভাবে রাজনীতি করলে আমাদের তো কোনো আপত্তি নেই। আমরা বিশ্বাস করি- যেকোনো দলের যে কোনো ব্যক্তির রাজনীতি করার অধিকার আছে, সেভাবে করবে। ’

বিএনপির সঙ্গে দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফেলতে আগ্রহ প্রকাশ করে গত ৮ আগস্ট জয় রয়টার্সকে বলেন, ‘খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে বলেছেন, যা হওয়ার হয়ে গেছে, সেগুলো মনে রাখার প্রয়োজন নেই। তার এমন বক্তব্যে আমি খুশি। আমরা অতীত ভুলে যাই। আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ না করি। আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, সেটি ঐকমত্যের সরকার হোক বা না হোক। ’

গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের জন্য বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক জানিয়ে জয় আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন আয়োজন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমরা বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে চাই। আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই এটি নিশ্চিত করার জন্য যে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকবে, যেখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। রাজনীতি ও আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে আমি মনে করি। আমরা নানা ইস্যুতে তর্ক করতে পারি। আমরা কোনো বিষয়ে একমত নাও হতে পারি। তবে ভিন্নমত পোষণের অধিকারের প্রতি আমাদের একমত থাকতে হবে। আর আমরা সবসময়ই আপস করার উপায়ও খুঁজে বের করতে পারি। ’

এসব বিষয় নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন , ‘বিএনপি কখনো মানুষের বিপক্ষে কিছু করেনি। দেশ চালাতে গেলে কিছু ভুল হয়, কিন্তু সেই ভুল দেশ ও মানুষকে ক্ষতি করেনি। মিডিয়ার যে স্বাধীনতা সেটা বিএনপি দিয়েছে, সংসদীয় গণতন্ত্র, মুক্তবাজার অর্থনীতি সেটা বিএনপি দিয়েছে। গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ দেশকে ফোকলা করে দিয়েছে। সেই বিষয়কে গুরুত্ব না দিয়ে তখনকার হাওয়া ভবনের কথা বলেন, আয়না ঘরের সঙ্গে তাকে তুলনা করা হয়। হাওয়া ভবন একটা ব্যক্তিগত অফিস ছিল, যা দেশের অর্থনীতি, রাজনীতির কোনো ক্ষতি করেনি। এ নিয়ে একটা প্রজেকশন করার চেষ্টা করা হয়। এটা একটা ষড়যন্ত্র। একটা দলকে হেয় করার জন্য, তার অর্জনকে খাটো করার জন্য। নির্বাচন হোক- তাহলে জনগণই বেছে নেবে কোন দলটা ভালো কোন দলটা ভালো না, কোন নেতা খারাপ, নির্বাচনেই প্রমাণ হবে। কিন্তু চাপিয়ে দেওয়া- এটা করলে ভালো হবে, ওটা করলে ভালো হবে- সেটা নির্বাচনের মাধ্যমেই ঠিক হোক। ’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনে যে আসবে তাকে গ্রহণ করতে হবে। আমাদের আমলে আমরা এমন কোনো আইন করেছি, যে আইন গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে গেছে? পারবেন না দেখাতে। আওয়ামী লীগের করা সব আইনই গণতন্ত্রের বিপক্ষে গেছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির তুলনা করলে সেটা গ্রস ইনজাস্টিস হবে। আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের স্বাধীনতার চেতনা, অর্থনীতি, রাজনীতি, মূল্যবোধ সব ধ্বংস করেছে। একজন বিচারপতিকে মানুষ মারছে, আদালতের মধ্যে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় নেতাদের ডিম ছুড়ছে কারণ মানুষের মধ্যে পুঞ্জিভূত ক্ষোভ। বিএনপি আর আওয়ামী লীগকে এক পাল্লায় মাপলে হবে না। বিএনপি দেশে সবচাইতে ভালোটা করার চেষ্টা করেছে। আওয়ামী লীগ একদলীয় বাকশাল করেছিল, আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছি। আওয়ামী লীগ সব পত্র-পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল, আমরা সব চ্যানেল-পত্রিকা চালু করেছি। হাওয়া ভবনে কাউকে আটকে রাখা হয়েছে, কাউকে নির্যাতন করা হয়েছে? একটা প্রমাণ দিন। সুতরাং বিএনপিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তুলনা করাটা ‘ইনজাস্টিস টু আস’।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর