বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের বিজয় অপরিহার্য: গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ- রাউজানে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়াস কাদের চৌধুরী যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: ব্রিটিশ এমপি বব ব্ল্যাকম্যান রাজশাহীতে ধানের শীষের প্রচারণায় মাঠে যুবদলের ব্যাপক গণসংযোগ রাউজানে সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ঢাকা রিজেন্সিতে আন্তর্জাতিক বিজনেস নেটওয়ার্কিং ডিনার পার্টি ২০২৬ সম্পন্ন ভুরুঙ্গামারীতে মাকসুদা আজিজ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থবৃত্তি ও সনদ প্রদান। শেরপুরে নির্বাচনী পথ সভায় প্রধান অতিথি মাহমুদুল হক রুবেল: ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন! শেরপুরে এএসআই-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে সতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক অচিন্ত কুমার মণ্ডলের সাংবাদিক সম্মেলন।

তাড়াশ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ৮ কোটি টাকার দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ / ১৬৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌরসভার আট কোটি ৪৭ লাখ টাকার ইজিপি দরপত্র নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
এদিকে সুকৌশলে দরপত্র আহবান করে তার পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. মুকুল হোসেনের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৭ জুলাই নব গঠিত তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হোন মো: আব্দুর রাজ্জাক। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকাররে পতনের পর আন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের উপজেলা ও পৌরসভার মেয়রের পদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগ দেয়। এ সুযোগে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. মুকুল হোসেন স্বল্প পরিচিত পত্রিকায় পৌর সভার বিভিন্ন রাস্তা ও ড্রেন নিমার্ণের জন্য আট কোটি ৪৭ লাখ টাকার দরপত্র আহবান করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বৃহত্তর পাবনা-বগুড়া প্রকল্পের আওতায় ওই দরপত্রে পাঁচটি প্যাকেজে ১৮ সেপ্টেম্বর ইজিপিতে দরপত্র দাখিলের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ওই দরপত্রে আট কোটি ৪৭ লাখ টাকা উল্লেখ করা হলেও কোন প্যাকেজে কত টাকা তা উল্লেখ করেননি।
একটি অসমর্থিত সূত্র জানায়, প্যাকেজ প্রতি প্রাক্কলিত ব্যায়ের টাকার পরিমাণ উল্লেখিত না করায় এখানেই রয়েছে শুভংকরের ফাঁকি। অর্থাৎ টাকার পরিমান সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. মুকুল হোসেন যে ঠিকাদার কে জানাবেন, তিনিই ১০% লেসে কাজটি পাবেন। এ নিয়ে তিনি যথারীতি ঠিকাদারও বাছাই করেছেন। এবং কোনো কোনো ঠিকাদারের সাথে আর্থিক সুবিধা নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
তাড়াশ পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ও প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার মো. আব্দুল বারিক খন্দকার বলেন, মূলত: সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো: মুকুল হোসেন তার স্বার্থ চরিতার্থ করতে এ ধরনের দরপত্র তৈরি করে আহবান করেছেন। যাতে স্থানীয় ঠিকাদাররা অংশ গ্রহণ করতে না পারেন। আমরা এ দরপত্র বাতিল চাই।
তবে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে তাড়াশ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো: মুকুল হোসেন বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনেই দরপত্র আহবান করা হয়েছে। এতে কোথাও কোনো অনিয়ম করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. খালিদ হাসান জানান, দরপত্রের সকল দায়ভার প্রকল্প পরিচালকের। আমার কাজটি মূলত তদারকি করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর