শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
এনসিপির আহ্বায়ক কিরন, সদস্যসচিব আনিস ৪৭তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ঘাটাইলের কৃতী সন্তান মোঃ আরিফুল ইসলাম স্বপ্ন থেকে সাফল্য—প্রথম বিসিএসেই ক্যাডার শ্রীবরদীর টেংগরপাড়ার কৃতী সন্তান ডা. কে এম ইশতিয়াক আহমেদ পীরগঞ্জে সার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য স্বপ্ন থেকে সাফল্য—প্রথম বিসিএসেই ক্যাডার শ্রীবরদীর টেংগরপাড়ার কৃতী সন্তান ডা. কে এম ইশতিয়াক আহমেদ রাউজানের হলদিয়ার সর্তার কুল মৌং রমজান আলী জামে মসজিদে ঈদে মিলাদুন্নবী দঃ ও মাসিক গেয়ারভী শরীফ মাহফিল অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বিএনপির নেতার সংবাদ সম্মেলন   রাউজান প্রেসক্লাবে সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত এসএসএস গাজীপুর জোনের বাসন এরিয়ায় সততা ও সঠিক তথ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে ফিল্ড অফিসারদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত ব্যর্থতাকে সাফল্যের সিঁড়ি বানিয়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কর্মকর্তা শ্রীবরদীর তাওহীদুল ইসলাম

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে  আগাম শীতকালীন সবজি চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক !

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি: / ১১৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

শেরপুরের ঝিনাইগাতী গারো পাহাড়ে মৌসুমের আগেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে নানা রকম শীতকালীন সবজি। ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরেই আগাম সবজি উৎপাদন হচ্ছে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও এখানকার কৃষকরা আগাম সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। গারো কোনা ও হলদিগ্রাম এলাকার কৃষক মো. আনোয়ার হোসেন ও মো. আব্দুল কাদের জানান, ধানের আবাদে লোকসান হওয়ায় তাঁরা এখন সবজি চাষে ঝুঁকছেন। আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি চাষ করে কৃষকরা ভালো লাভবান হচ্ছেন। ফলে দিন দিন বাড়ছে সবজি চাষের পরিমাণ ও কৃষকের আগ্রহ।

সরেজমিনে ঝিনাইগাতীর সন্ধাকুড়া, গারোকোনা, হলদিগ্রাম, জারুলতলা ও মানিককুড়া গ্রামে দেখা গেছে— মাঠে মাঠে বেগুন, লাউ, সিম, বরবটি, মূলাসহ নানা শীতকালীন সবজির চাষ হচ্ছে। কৃষক-কৃষাণীরা দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত পরিচর্যায়। অনেকেই ক্ষেত থেকেই পাইকারদের কাছে চড়া দামে সবজি বিক্রি করছেন। রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পাইকাররা আগাম সবজি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, গারো পাহাড়ি এলাকায় এ বছর ব্যাপক হারে আগাম সবজির আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগ নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম রাসেল প্রতিনিধি কে জানান, গারো পাহাড়ি এলাকা যেন সবজিতে ভরে গেছে। এটি খুবই ইতিবাচক লক্ষণ এবং পাহাড়ি মানুষের আয়ের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর