
জানা যায়, সংশ্লিষ্ট জমির আরএস রেকর্ডভুক্ত মালিক ছিলেন জহুরা খাতুন। তাঁর মৃত্যুর পর সকল উত্তরাধিকারী পারিবারিকভাবে একটি ঘরোয়া আপোষ বণ্টননামা সম্পাদন করেন, যা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত হয়। ওই বণ্টননামা অনুযায়ী আব্দুল হালিম খন্দকার আরএস ২৬৯ নম্বর খতিয়ানের ৫৭৩ নম্বর দাগে ১০১ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন এবং তাঁর নামে নামজারি সম্পন্ন হয়, যার খতিয়ান নম্বর ছিল ১০০৩।
পরবর্তীতে আব্দুল হালিম খন্দকার মৃত্যুবরণ করলে তিনি স্ত্রী ও দুই পুত্র রেখে যান। তাঁর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা নিজেদের নামে নামজারি করতে গিয়ে জানতে পারেন, আব্দুল হালিম খন্দকারের নামে থাকা ১০১ শতাংশ জমি জসিম উদ্দিন কবির নামে খারিজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপত্তি জানালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আদেশে সেই খারিজ বাতিল করা হয়। পরে আব্দুল হালিম খন্দকারের বৈধ উত্তরাধিকারীদের নামে পুনরায় নামজারি সম্পন্ন হয় এবং নতুন নামজারি খতিয়ান নম্বর ২৫-১৬০৮ ইস্যু করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে তাদের চাচারা দলবল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে জোরপূর্বক জমি দখল করে নেয়। পরে তারা আদালতে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের পৈতৃক সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চান। তারা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন বলেন, “এটা আমার মায়ের সম্পত্তি। আমরা তাকে কোনো সম্পত্তি দেব না। ও যা পারে করুক। দেশের আইন-আদালত আমরা পকেটে রাখি।”
অভিযুক্তের এই বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, তাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করবে।